বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার করা বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ দ্রুত শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কো-অর্ডিনেশন সেন্টারকে (আইএসিসিসি) সম্ভাব্য সব ধরনের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আইএসিসিসির একটি উচ্চপর্যায়ের আইনি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠককালে দেশের বাইরে গোপনে গচ্ছিত সম্পদ ও পাচার অর্থ উদ্ধার প্রক্রিয়ার নানা জটিলতা, আইনি চ্যালেঞ্জ এবং তা কাটিয়ে ওঠার কার্যকর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনাকালে আন্তর্জাতিকভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ প্রত্যর্পণের পথে বিদ্যমান আইনি বাধাগুলো দূর করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সরাসরি সহযোগিতা কামনা করে আইএসিসিসির প্রতিনিধিদল। জবাবে ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, "বাংলাদেশের পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।"
উক্ত বৈঠকে আইএসিসিসির প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন রয়্যাল কানাডিয়ান গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার মিস লুইস বেইনন, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির সিনিয়র ইনভেস্টিগেটর অ্যালেক্স হোড, ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল অ্যান্ড লিগ্যাল অ্যানালিস্ট রাইহান রহমান এবং সিঙ্গাপুরের একজন আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার বিশেষজ্ঞ।

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচার করা বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পদ দ্রুত শনাক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনতে আন্তর্জাতিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি-করাপশন কো-অর্ডিনেশন সেন্টারকে (আইএসিসিসি) সম্ভাব্য সব ধরনের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা প্রদানের দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে আইএসিসিসির একটি উচ্চপর্যায়ের আইনি প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি সরকারের এই অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। বৈঠককালে দেশের বাইরে গোপনে গচ্ছিত সম্পদ ও পাচার অর্থ উদ্ধার প্রক্রিয়ার নানা জটিলতা, আইনি চ্যালেঞ্জ এবং তা কাটিয়ে ওঠার কার্যকর কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আলোচনাকালে আন্তর্জাতিকভাবে পাচার হওয়া অর্থ ও সম্পদ প্রত্যর্পণের পথে বিদ্যমান আইনি বাধাগুলো দূর করতে অ্যাটর্নি জেনারেলের সরাসরি সহযোগিতা কামনা করে আইএসিসিসির প্রতিনিধিদল। জবাবে ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, "বাংলাদেশের পাচারকৃত অর্থ ও সম্পদ উদ্ধার করে দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।"
উক্ত বৈঠকে আইএসিসিসির প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন রয়্যাল কানাডিয়ান গভর্ন্যান্স অ্যাডভাইজার মিস লুইস বেইনন, যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সির সিনিয়র ইনভেস্টিগেটর অ্যালেক্স হোড, ব্রিটিশ হাইকমিশনের পলিটিক্যাল অ্যান্ড লিগ্যাল অ্যানালিস্ট রাইহান রহমান এবং সিঙ্গাপুরের একজন আন্তর্জাতিক সম্পদ পুনরুদ্ধার বিশেষজ্ঞ।

আপনার মতামত লিখুন