সংবাদ

স্বামী ‘মামা’স বয়’ কি না বুঝবেন যেসব আচরণে


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪৭ পিএম

স্বামী ‘মামা’স বয়’ কি না বুঝবেন যেসব আচরণে

বিয়ের কয়েক বছর হয়ে গেছে, সংসারও চলছে স্বাভাবিকভাবেই। স্বামী দায়িত্বশীল, আপনাদের সম্পর্কও ভালো। কিন্তু কিছু পরিস্থিতিতে তার আচরণে কি হঠাৎ পরিবর্তন দেখা যায়? বিশেষ করে মায়ের সামনে গেলে যদি তিনি অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, নিজের অনেক কাজেও মায়ের সাহায্য খোঁজেন বা দাম্পত্যের ব্যক্তিগত বিষয় মায়ের সঙ্গে আলোচনা করেন, তাহলে তাকেমামা বয়বলা যায় কি না-এমন প্রশ্ন উঠতে পারে।

মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা অবশ্যই খারাপ কিছু নয়। বরং মা-বাবার প্রতি দায়িত্ববোধ থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই সম্পর্ক যদি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের নিজের সিদ্ধান্ত, দাম্পত্যের সীমারেখা কিংবা দৈনন্দিন দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন কিছু আচরণ খেয়াল করা যেতে পারে।

মায়ের রান্নাই যেন শেষ কথা

আপনি যত যত্ন করেই রান্না করুন না কেন, স্বামী যদি প্রায় প্রতিবারই মায়ের রান্নার সঙ্গে তার তুলনা করেন, তাহলে বিষয়টি আপনার চোখে পড়তে পারে। বিশেষ করে মায়ের রান্নাকেই যদি সব সময়সেরামনে হয়, তার পেছনে শৈশবের স্মৃতি আবেগ কাজ করতে পারে।

তাই শুধু খাবারের স্বাদ নয়, মায়ের কাছ থেকে পাওয়া দীর্ঘদিনের যত্ন ভালোবাসার সঙ্গেও এই অভ্যাসের সম্পর্ক থাকতে পারে।

নিজের কাজেও মায়ের ওপর নির্ভরতা

বড় হওয়ার পরও যদি জামাকাপড় ধোয়া, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র গোছানো কিংবা দৈনন্দিন নানা কাজে স্বামী নিয়মিত মায়ের ওপর নির্ভর করেন, তাহলে সেটি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার ইঙ্গিত হতে পারে।

মা সন্তানের যত্ন নেবেন-এটি স্বাভাবিক। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর নিজের দায়িত্ব নিজে নেওয়ার সক্ষমতাও তৈরি হওয়া প্রয়োজন।

মায়ের ফোন না এলে অস্বস্তি

কখন অফিসে পৌঁছেছেন, খেয়েছেন কি না, কখন ফিরবেন- ধরনের বিষয় জানতে মায়ের নিয়মিত ফোন আসতেই পারে। তবে সারাক্ষণ মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকলে যদি স্বামী অস্বস্তি বোধ করেন কিংবা প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে মায়ের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা করে দেখা যেতে পারে।

মায়ের সামনে বদলে যায় আচরণ

আপনার সামনে যিনি আত্মবিশ্বাসী সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম, মায়ের সামনে গেলেই যদি তার আচরণ একেবারে বদলে যায়, সেটিও খেয়াল করার মতো বিষয়।

মায়ের কাছ থেকে বাড়তি আদর চাওয়া বা ছোটবেলার মতো আচরণ করা একেবারে অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সেই আচরণ যদি নিজের দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে, তখন সেটি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার লক্ষণ হতে পারে।

দাম্পত্যের সিদ্ধান্তেও মায়ের মতামত

আপনাদের সংসারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে মায়ের পরামর্শ নেওয়া স্বাভাবিক। সমস্যা তখনই তৈরি হতে পারে, যখন স্বামী প্রায় প্রতিটি বিষয়ে নিজের সঙ্গীর মতামতের চেয়ে মায়ের সিদ্ধান্তকে বেশি গুরুত্ব দেন।

বিশেষ করে আপনাদের দুজনের মধ্যে কোনো মতবিরোধ হলে আপনার বক্তব্য না শুনেই যদি তিনি মায়ের অবস্থানকে সমর্থন করেন, তাহলে দাম্পত্যের সীমারেখা নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন হতে পারে।

হঠাৎ হঠাৎ মায়ের উপস্থিতি

আপনাদের ব্যক্তিগত সময় বা সংসারের পরিকল্পনায় বারবার মায়ের অনাকাঙ্ক্ষিত উপস্থিতি তৈরি হচ্ছে কি না, সেটিও লক্ষ্য করা যেতে পারে। মা ছেলের কাছে আসতে চাইতেই পারেন। কিন্তু দাম্পত্য জীবনের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করা এবং কখন কোথায় পরিবারের অন্য সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন, সে বিষয়ে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

মাকে খুশি রাখার চাপ

কিছু মানুষের কাছে মাকে খুশি রাখা জীবনের অন্যতম বড় দায়িত্ব হয়ে ওঠে। ফলে মা কষ্ট পেয়েছেন বা যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়নি-এমন মনে হলেই ছেলে অপরাধবোধে ভুগতে পারেন।

মায়ের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে নিজের প্রয়োজন, কাজ কিংবা দাম্পত্যের দায়িত্বকে বারবার উপেক্ষা করলে বিষয়টি সম্পর্কের ওপরও চাপ তৈরি করতে পারে।

নিজের সংসারের চেয়ে মায়ের কাছে বেশি সময়

ছুটির দিন বা অবসর সময়ের বড় একটি অংশ যদি নিয়মিত মায়ের সঙ্গে কাটাতে চান, সেটিও লক্ষণীয় হতে পারে। তবে মায়ের সঙ্গে সময় কাটানো নিজে কোনো সমস্যা নয়। মূল বিষয় হলো-তিনি কি নিজের স্ত্রী সংসারের জন্যও যথেষ্ট সময় দিচ্ছেন?

সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে তখনই বিষয়টি নিয়ে ভাবার প্রয়োজন হতে পারে।

দাম্পত্যের কথা মায়ের কাছে বলা

স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় মায়ের কাছে নিয়মিত আলোচনা করা দাম্পত্যের গোপনীয়তার সীমারেখা দুর্বল করতে পারে। নিজেদের ঝগড়া, ব্যক্তিগত সমস্যা কিংবা স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় মায়ের কাছে জানানো হলে তা পরবর্তীতে আরও বড় ভুল বোঝাবুঝির কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে মায়ের কাছে অভিযোগ করার পর যদি তিনি আপনাদের ব্যক্তিগত বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে স্বামীর সঙ্গে বিষয়ে পরিষ্কারভাবে কথা বলা জরুরি।

মায়ের প্রতি ভালোবাসা কি তাহলে খারাপ?

একেবারেই নয়। মাকে ভালোবাসা, খোঁজ নেওয়া, সময় দেওয়া কিংবা তার যত্ন নেওয়া একজন মানুষের স্বাভাবিক পারিবারিক দায়িত্বের অংশ হতে পারে। এমনকি মায়ের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা একজন পুরুষকে নিজের স্ত্রীকেও যত্ন সম্মান করতে শেখাতে পারে।

তাইমামা বয়কি না, সেটি বোঝার ক্ষেত্রে শুধু মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বরং দেখতে হবে-মায়ের প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি তিনি কি নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, দাম্পত্যের ব্যক্তিগত সীমারেখা বজায় রাখেন এবং স্ত্রীকে যথাযথ সম্মান গুরুত্ব দেন? সম্পর্কের ভারসাম্যটাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


স্বামী ‘মামা’স বয়’ কি না বুঝবেন যেসব আচরণে

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বিয়ের কয়েক বছর হয়ে গেছে, সংসারও চলছে স্বাভাবিকভাবেই। স্বামী দায়িত্বশীল, আপনাদের সম্পর্কও ভালো। কিন্তু কিছু পরিস্থিতিতে তার আচরণে কি হঠাৎ পরিবর্তন দেখা যায়? বিশেষ করে মায়ের সামনে গেলে যদি তিনি অতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়েন, নিজের অনেক কাজেও মায়ের সাহায্য খোঁজেন বা দাম্পত্যের ব্যক্তিগত বিষয় মায়ের সঙ্গে আলোচনা করেন, তাহলে তাকেমামা বয়বলা যায় কি না-এমন প্রশ্ন উঠতে পারে।

মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা অবশ্যই খারাপ কিছু নয়। বরং মা-বাবার প্রতি দায়িত্ববোধ থাকা স্বাভাবিক। তবে সেই সম্পর্ক যদি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের নিজের সিদ্ধান্ত, দাম্পত্যের সীমারেখা কিংবা দৈনন্দিন দায়িত্ব পালনে প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তখন কিছু আচরণ খেয়াল করা যেতে পারে।

মায়ের রান্নাই যেন শেষ কথা

আপনি যত যত্ন করেই রান্না করুন না কেন, স্বামী যদি প্রায় প্রতিবারই মায়ের রান্নার সঙ্গে তার তুলনা করেন, তাহলে বিষয়টি আপনার চোখে পড়তে পারে। বিশেষ করে মায়ের রান্নাকেই যদি সব সময়সেরামনে হয়, তার পেছনে শৈশবের স্মৃতি আবেগ কাজ করতে পারে।

তাই শুধু খাবারের স্বাদ নয়, মায়ের কাছ থেকে পাওয়া দীর্ঘদিনের যত্ন ভালোবাসার সঙ্গেও এই অভ্যাসের সম্পর্ক থাকতে পারে।

নিজের কাজেও মায়ের ওপর নির্ভরতা

বড় হওয়ার পরও যদি জামাকাপড় ধোয়া, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র গোছানো কিংবা দৈনন্দিন নানা কাজে স্বামী নিয়মিত মায়ের ওপর নির্ভর করেন, তাহলে সেটি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার ইঙ্গিত হতে পারে।

মা সন্তানের যত্ন নেবেন-এটি স্বাভাবিক। কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর নিজের দায়িত্ব নিজে নেওয়ার সক্ষমতাও তৈরি হওয়া প্রয়োজন।

মায়ের ফোন না এলে অস্বস্তি

কখন অফিসে পৌঁছেছেন, খেয়েছেন কি না, কখন ফিরবেন- ধরনের বিষয় জানতে মায়ের নিয়মিত ফোন আসতেই পারে। তবে সারাক্ষণ মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ না থাকলে যদি স্বামী অস্বস্তি বোধ করেন কিংবা প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের আগে মায়ের সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করেন, তাহলে বিষয়টি আলাদা করে দেখা যেতে পারে।

মায়ের সামনে বদলে যায় আচরণ

আপনার সামনে যিনি আত্মবিশ্বাসী সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম, মায়ের সামনে গেলেই যদি তার আচরণ একেবারে বদলে যায়, সেটিও খেয়াল করার মতো বিষয়।

মায়ের কাছ থেকে বাড়তি আদর চাওয়া বা ছোটবেলার মতো আচরণ করা একেবারে অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু সেই আচরণ যদি নিজের দায়িত্ব বা সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতার ওপর প্রভাব ফেলে, তখন সেটি অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার লক্ষণ হতে পারে।

দাম্পত্যের সিদ্ধান্তেও মায়ের মতামত

আপনাদের সংসারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে মায়ের পরামর্শ নেওয়া স্বাভাবিক। সমস্যা তখনই তৈরি হতে পারে, যখন স্বামী প্রায় প্রতিটি বিষয়ে নিজের সঙ্গীর মতামতের চেয়ে মায়ের সিদ্ধান্তকে বেশি গুরুত্ব দেন।

বিশেষ করে আপনাদের দুজনের মধ্যে কোনো মতবিরোধ হলে আপনার বক্তব্য না শুনেই যদি তিনি মায়ের অবস্থানকে সমর্থন করেন, তাহলে দাম্পত্যের সীমারেখা নিয়ে আলোচনা করা প্রয়োজন হতে পারে।

হঠাৎ হঠাৎ মায়ের উপস্থিতি

আপনাদের ব্যক্তিগত সময় বা সংসারের পরিকল্পনায় বারবার মায়ের অনাকাঙ্ক্ষিত উপস্থিতি তৈরি হচ্ছে কি না, সেটিও লক্ষ্য করা যেতে পারে। মা ছেলের কাছে আসতে চাইতেই পারেন। কিন্তু দাম্পত্য জীবনের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করা এবং কখন কোথায় পরিবারের অন্য সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন, সে বিষয়ে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া থাকা গুরুত্বপূর্ণ।

মাকে খুশি রাখার চাপ

কিছু মানুষের কাছে মাকে খুশি রাখা জীবনের অন্যতম বড় দায়িত্ব হয়ে ওঠে। ফলে মা কষ্ট পেয়েছেন বা যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়নি-এমন মনে হলেই ছেলে অপরাধবোধে ভুগতে পারেন।

মায়ের প্রত্যাশা পূরণ করতে গিয়ে নিজের প্রয়োজন, কাজ কিংবা দাম্পত্যের দায়িত্বকে বারবার উপেক্ষা করলে বিষয়টি সম্পর্কের ওপরও চাপ তৈরি করতে পারে।

নিজের সংসারের চেয়ে মায়ের কাছে বেশি সময়

ছুটির দিন বা অবসর সময়ের বড় একটি অংশ যদি নিয়মিত মায়ের সঙ্গে কাটাতে চান, সেটিও লক্ষণীয় হতে পারে। তবে মায়ের সঙ্গে সময় কাটানো নিজে কোনো সমস্যা নয়। মূল বিষয় হলো-তিনি কি নিজের স্ত্রী সংসারের জন্যও যথেষ্ট সময় দিচ্ছেন?

সম্পর্কের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে তখনই বিষয়টি নিয়ে ভাবার প্রয়োজন হতে পারে।

দাম্পত্যের কথা মায়ের কাছে বলা

স্বামী-স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় মায়ের কাছে নিয়মিত আলোচনা করা দাম্পত্যের গোপনীয়তার সীমারেখা দুর্বল করতে পারে। নিজেদের ঝগড়া, ব্যক্তিগত সমস্যা কিংবা স্ত্রীর ব্যক্তিগত বিষয় মায়ের কাছে জানানো হলে তা পরবর্তীতে আরও বড় ভুল বোঝাবুঝির কারণ হতে পারে।

বিশেষ করে মায়ের কাছে অভিযোগ করার পর যদি তিনি আপনাদের ব্যক্তিগত বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করেন, তাহলে স্বামীর সঙ্গে বিষয়ে পরিষ্কারভাবে কথা বলা জরুরি।

মায়ের প্রতি ভালোবাসা কি তাহলে খারাপ?

একেবারেই নয়। মাকে ভালোবাসা, খোঁজ নেওয়া, সময় দেওয়া কিংবা তার যত্ন নেওয়া একজন মানুষের স্বাভাবিক পারিবারিক দায়িত্বের অংশ হতে পারে। এমনকি মায়ের কাছ থেকে পাওয়া ভালোবাসা একজন পুরুষকে নিজের স্ত্রীকেও যত্ন সম্মান করতে শেখাতে পারে।

তাইমামা বয়কি না, সেটি বোঝার ক্ষেত্রে শুধু মায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দেখলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক নয়। বরং দেখতে হবে-মায়ের প্রতি ভালোবাসার পাশাপাশি তিনি কি নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, দাম্পত্যের ব্যক্তিগত সীমারেখা বজায় রাখেন এবং স্ত্রীকে যথাযথ সম্মান গুরুত্ব দেন? সম্পর্কের ভারসাম্যটাই এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত