বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদে ফিরিয়ে নেওয়াই চলমান সংকট সমাধানের একমাত্র উপায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর টেকসই সমাধানও দেশটির ভেতরেই নিহিত।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া বাংলায় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে সতর্কবাণী উচ্চারণ করে তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য সুবিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে এটি চরম মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে।
দীর্ঘ নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে মানবিক আশ্রয় দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, পরিবেশ এবং নিরাপত্তার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
এই স্থায়ী সংকট সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কার্যকর সমর্থনের জোর দাবি জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রত্যাবাসন সফল না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জন্য জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
/

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারে নিরাপদে ফিরিয়ে নেওয়াই চলমান সংকট সমাধানের একমাত্র উপায় বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও উৎপত্তি মিয়ানমারে, তাই এর টেকসই সমাধানও দেশটির ভেতরেই নিহিত।
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া বাংলায় ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে সতর্কবাণী উচ্চারণ করে তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য সুবিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতে এটি চরম মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে।
দীর্ঘ নয় বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বিতাড়িত ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে মানবিক আশ্রয় দেওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর ফলে বাংলাদেশের অর্থনীতি, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, পরিবেশ এবং নিরাপত্তার ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
এই স্থায়ী সংকট সমাধানের লক্ষ্যে জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কার্যকর সমর্থনের জোর দাবি জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রত্যাবাসন সফল না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গাদের জন্য জীবনরক্ষাকারী মানবিক সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তিনি।
/

আপনার মতামত লিখুন