সংবাদ

টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৮ এএম

টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ
এলডিসি থেকে মসৃণ ও অভিঘাতসহনশীল উত্তরণের লক্ষ্যে আরও প্রস্তুতিমূলক সময় চেয়ে জাতিসংঘের সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ। ছবি : সংগৃহীত

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করতে আরও দীর্ঘ প্রস্তুতিমূলক সময় চেয়েছে বাংলাদেশ। অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে উত্তরণ-পরবর্তী জাতীয় অর্থনীতিকে আরও সক্ষম ও অভিঘাতসহনশীল করে তোলা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে আয়োজিত এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ কথা বলেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের কথা ঢাকায় পাওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বাংলাদেশের এই অতিরিক্ত সময় পাওয়ার অনুরোধ বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিবেচনাধীন রয়েছে। এ ক্ষেত্রে এলডিসি গ্রুপের সদস্য দেশগুলোর ধারাবাহিক সমর্থন কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী।

হুমায়ুন কবির বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলোর সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশল কার্যকর করতে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি জরুরি।

দোহা কর্মসূচির মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা সামনে রেখে এলডিসিগুলোর জন্য ছয়টি বড় অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) কমার প্রবণতা রোধ, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার উন্নত করা, জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও জলবায়ু সংকট সব দেশের সক্ষমতার পরীক্ষা নিচ্ছে। বর্তমানে এলডিসিগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার নিচে অবস্থান করছে, যা ২০২৬ সালে ৪.৬ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে মসৃণ ও টেকসই উত্তরণ নিশ্চিত করতে আরও দীর্ঘ প্রস্তুতিমূলক সময় চেয়েছে বাংলাদেশ। অতিরিক্ত সময় পাওয়া গেলে উত্তরণ-পরবর্তী জাতীয় অর্থনীতিকে আরও সক্ষম ও অভিঘাতসহনশীল করে তোলা সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দফতরে আয়োজিত এলডিসিভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বার্ষিক বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির এ কথা বলেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ বৈঠকের কথা ঢাকায় পাওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

বাংলাদেশের এই অতিরিক্ত সময় পাওয়ার অনুরোধ বর্তমানে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বিবেচনাধীন রয়েছে। এ ক্ষেত্রে এলডিসি গ্রুপের সদস্য দেশগুলোর ধারাবাহিক সমর্থন কামনা করেন প্রতিমন্ত্রী।

হুমায়ুন কবির বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের পথে থাকা দেশগুলোর সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার বাস্তবায়ন এবং মসৃণ উত্তরণ কৌশল কার্যকর করতে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি জরুরি।

দোহা কর্মসূচির মধ্যমেয়াদি পর্যালোচনা সামনে রেখে এলডিসিগুলোর জন্য ছয়টি বড় অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে সরকারি উন্নয়ন সহায়তা (ওডিএ) কমার প্রবণতা রোধ, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশাধিকার উন্নত করা, জলবায়ু অর্থায়ন নিশ্চিত করা এবং পাচার হওয়া সম্পদ পুনরুদ্ধার।

অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বৈশ্বিক অস্থিরতা ও জলবায়ু সংকট সব দেশের সক্ষমতার পরীক্ষা নিচ্ছে। বর্তমানে এলডিসিগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৭ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার নিচে অবস্থান করছে, যা ২০২৬ সালে ৪.৬ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৫ শতাংশ হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত