‘আমার ছেলে কোথায়? ছয় বছর হয়ে গেল, আজও তার কোনো সন্ধান পেলাম না।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে এভাবেই নিখোঁজ ছেলের সন্ধান ও জোড়া খুনের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন ঢাকার দোহার উপজেলার সাইদুলের মা রাজিয়া বেগম।
সাইদুল ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু সোহেল নিখোঁজ হওয়ার ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের মরদেহের সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পুলিশের তদন্ত, আসামিদের গ্রেপ্তার ও অভিযোগপত্র নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন রাজিয়া বেগম ও তার স্বজনেরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২১ সালের ২০ এপ্রিল চাকরির সন্ধানে মাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন সাইদুল ও সোহেল। ওই দিন সন্ধ্যায় সাইদুল ফোন করে জানান, কাজ বুঝে নিতে রাত হবে, তাই পরদিন সকালে ফিরবেন। এরপর থেকেই তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে দোহার থানায় প্রথমে জিডি ও পরে সেপ্টেম্বরে আদালতে মামলা করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি।
সিআইডির তদন্তে তাদের দুজনকে হত্যা করা হয়েছে বলে তথ্য ওঠে আসে এবং আসামিদের কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। তবে সিআইডির দেওয়া অভিযোগপত্রে মূল অভিযুক্ত কয়েকজনকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে আদালতে নারাজি আবেদন জানান রাজিও বেগম। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন।
রাজন খান, সাজ্জাদ মোল্লা, চঞ্চল মোল্লা, সোহাগ বেপারি, মারুফ, এমবাদুল হক, সাদ্দাম বেপারি, সেলিম বেপারি, মনির হোসেন ও কাওসার মোল্লাসহ আরও কয়েকজন এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে মানববন্ধনে দাবি করেন ভুক্তভোগী মা। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
‘আমার ছেলে কোথায়? ছয় বছর হয়ে গেল, আজও তার কোনো সন্ধান পেলাম না।’ কান্নাজড়িত কণ্ঠে এভাবেই নিখোঁজ ছেলের সন্ধান ও জোড়া খুনের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন ঢাকার দোহার উপজেলার সাইদুলের মা রাজিয়া বেগম।
সাইদুল ও তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু সোহেল নিখোঁজ হওয়ার ছয় বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের মরদেহের সন্ধান মেলেনি। এ ঘটনায় পুলিশের তদন্ত, আসামিদের গ্রেপ্তার ও অভিযোগপত্র নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলে সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেছেন রাজিয়া বেগম ও তার স্বজনেরা।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০২১ সালের ২০ এপ্রিল চাকরির সন্ধানে মাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন সাইদুল ও সোহেল। ওই দিন সন্ধ্যায় সাইদুল ফোন করে জানান, কাজ বুঝে নিতে রাত হবে, তাই পরদিন সকালে ফিরবেন। এরপর থেকেই তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে দোহার থানায় প্রথমে জিডি ও পরে সেপ্টেম্বরে আদালতে মামলা করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তভার পায় সিআইডি।
সিআইডির তদন্তে তাদের দুজনকে হত্যা করা হয়েছে বলে তথ্য ওঠে আসে এবং আসামিদের কয়েকজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন। তবে সিআইডির দেওয়া অভিযোগপত্রে মূল অভিযুক্ত কয়েকজনকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে আদালতে নারাজি আবেদন জানান রাজিও বেগম। পরে আদালত আবেদন মঞ্জুর করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পিবিআইতে স্থানান্তরের নির্দেশ দেন।
রাজন খান, সাজ্জাদ মোল্লা, চঞ্চল মোল্লা, সোহাগ বেপারি, মারুফ, এমবাদুল হক, সাদ্দাম বেপারি, সেলিম বেপারি, মনির হোসেন ও কাওসার মোল্লাসহ আরও কয়েকজন এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে মানববন্ধনে দাবি করেন ভুক্তভোগী মা। বর্তমানে পরিবারটি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে বলেও অভিযোগ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন