ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আনোয়ার হোসেন আনার (৪০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আবু তাহের ভুট্টো নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দেওখোলা ইউনিয়নের কুকরাইল মোড়লবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার হোসেন ওই গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে কুকরাইল গ্রামের আলহাজ মিয়া ও জিহাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে দেওখোলা বাজারে প্রকাশ্যে জিহাদকে রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন আলহাজ ও তার সহযোগীরা। আহত জিহাদকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জিহাদকে মারধরের খবর পেয়ে তার স্বজনেরা রাতে একই গ্রামের মোড়লবাড়ি যান। সেখানে অভিযুক্ত ফাহাদ ও পারভেজকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার একপর্যায়ে হট্টগোল শুরু হয়। তখন ফাহাদ সজোরে আনোয়ার হোসেনের গোপনাঙ্গে লাথি মেরে পালিয়ে যান। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ফুলবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ গিয়ে আবু তাহের ভুট্টোকে আটক করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আনোয়ার হোসেন আনার (৪০) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আবু তাহের ভুট্টো নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার দেওখোলা ইউনিয়নের কুকরাইল মোড়লবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ার হোসেন ওই গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে কুকরাইল গ্রামের আলহাজ মিয়া ও জিহাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। এর জের ধরে দেওখোলা বাজারে প্রকাশ্যে জিহাদকে রড দিয়ে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন আলহাজ ও তার সহযোগীরা। আহত জিহাদকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জিহাদকে মারধরের খবর পেয়ে তার স্বজনেরা রাতে একই গ্রামের মোড়লবাড়ি যান। সেখানে অভিযুক্ত ফাহাদ ও পারভেজকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করার একপর্যায়ে হট্টগোল শুরু হয়। তখন ফাহাদ সজোরে আনোয়ার হোসেনের গোপনাঙ্গে লাথি মেরে পালিয়ে যান। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ফুলবাড়ীয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাশেদুল হাসান জানান, ঘটনার খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ গিয়ে আবু তাহের ভুট্টোকে আটক করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন