নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে দাঁড়িয়ে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা শুনতে শুনতে বারবার মনে হচ্ছিল- কতবার একই প্রশ্ন উঠবে, আর কতবার তার উত্তর খুঁজতে হবে? বছরের পর বছর ধরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বিশ্বনেতারা উদ্বেগ জানাচ্ছেন, মানবিক সহায়তার কথা বলছেন, মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু কক্সবাজারের ক্যাম্পে থাকা মানুষগুলোর জীবনে সেই আলোচনার প্রতিফলন কতটা পড়ছে?
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনেও রোহিঙ্গা সংকট গুরুত্ব পেয়েছে। এবারও সংকটটিকে গুরুতর মানবিক সংকট হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এবং এর স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে বলা হয়েছে। কিন্তু এবারের আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্ভবত নতুন করে সেই পুরোনো প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে আসা- সেটা হলো রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বাস্তব পথটি কোথায়?
বাংলাদেশ বছরের পর বছর ধরে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। একটি মানবিক বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত খুলে দেওয়া থেকে শুরু করে এত বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য, চিকিৎসা, বাসস্থান ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা-এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় মানবিক দায়িত্ব। কিন্তু এই দায়িত্বের কোনো শেষসীমা না থাকলে সেটি একসময় বাংলাদেশের জন্য গুরুতর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত চাপ তৈরি করে এবং করছে।
সেই বাস্তবতা থেকেই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবার পাঁচ দফা প্রস্তাব সামনে এসেছে। প্রথমত, প্রত্যাবাসনের জন্য একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ ও সময়সীমা। দ্বিতীয়ত, রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা।
তৃতীয়ত, প্রত্যাবাসনের আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘমেয়াদি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা।চতুর্থত, আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা। আর পঞ্চমত, মানব পাচার, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের চোরাচালান বন্ধে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা।
প্রস্তাবগুলোর দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট - বাংলাদেশ শুধু রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর কথা বলছে না, বরং তারা যেন নিরাপদ পরিবেশে, অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে নিজেদের দেশে ফিরতে পারে, সেই নিশ্চয়তার কথাও বলছে।এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শুধু সীমান্ত পার করিয়ে মানুষকে ফেরত পাঠানো আর টেকসই প্রত্যাবাসন এক বিষয় নয়।
বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি সামনে এসেছে। গাম্বিয়া আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন চেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহ-পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজন দেখিয়েছে, রোহিঙ্গা সংকটের বিচারিক ও রাজনৈতিক দুই দিকই আন্তর্জাতিক আলোচনায় রয়েছে।
কিন্তু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমর্থন থাকা আর সংকটের বাস্তব পরিবর্তন- দুটি ভিন্ন বিষয়। এই পার্থক্যটিই সবচেয়ে বেশি অনুভব করা যায় কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোর বাস্তবতায়।
সেখানে শিশুরা বড় হচ্ছে। তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছে। পরিবারগুলো বছরের পর বছর অপেক্ষা করছে। তাদের কাছে জাতিসংঘের প্রতিটি অধিবেশন, প্রতিটি প্রস্তাব এবং প্রতিটি আন্তর্জাতিক বিবৃতির শেষ প্রশ্ন একটাই,সেটা হল ফেরার পথ কবে খুলবে?
অন্যদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাতের বাস্তবতা আরও জটিল হয়েছে। ফলে প্রত্যাবাসনের জন্য শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে ফিরে যাওয়া মানুষের নিরাপত্তা, অধিকার ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বাস্তব নিশ্চয়তা থাকবে।
সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের বক্তব্য - সংঘাত বা সহিংসতা দিয়ে কোনো সংকটের সমাধান সম্ভব নয়, কূটনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই সমাধানের পথে যেতে হবে - এই বাস্তবতাকেই সামনে আনে। তবে কূটনীতি তখনই কার্যকর হয়, যখন তার সঙ্গে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আন্তর্জাতিক চাপের কার্যকর সমন্বয় থাকে।
বাংলাদেশের জন্যও এটি এখন শুধু মানবিকতার প্রশ্ন নয়। দীর্ঘস্থায়ী শরণার্থী পরিস্থিতি একটি দেশের ওপর কতটা চাপ তৈরি করতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ বাংলাদেশ। তাই রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু ত্রাণ ও শরণার্থী ব্যবস্থাপনার বিষয় হিসেবে দেখলে সমস্যার মূল জায়গাটি আড়ালে থেকে যাবে। ত্রাণ প্রয়োজন, মানবিক সহায়তা প্রয়োজন, কিন্তু এগুলো সংকটের স্থায়ী সমাধান নয়।
স্থায়ী সমাধানের অর্থ- নিরাপদ প্রত্যাবাসন, অধিকার নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচার এবং মিয়ানমারে এমন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে রোহিঙ্গারা আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা ছাড়াই নিজেদের দেশে বসবাস করতে পারে।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আবারও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই আলোচনার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
কারণ রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আরেকটি বছর পার হওয়া মানে শুধু একটি সংকটের সময়কাল বাড়া নয়, এর অর্থ আরও একটি প্রজন্মের শিকড়হীন হয়ে বেড়ে ওঠা। জাতিসংঘের আলোচনার টেবিল থেকে কক্সবাজারের ক্যাম্প- দুই জায়গার দূরত্ব অনেক। কিন্তু এই দুই প্রান্তকে যুক্ত করার একমাত্র পথ হলো কার্যকর কূটনীতি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বাস্তব প্রত্যাবাসন। এবার সেই পথ কতটা এগোয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
লেখক: বিশেষ প্রতিনিধি, মাছরাঙা টেলিভিশন

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে দাঁড়িয়ে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা শুনতে শুনতে বারবার মনে হচ্ছিল- কতবার একই প্রশ্ন উঠবে, আর কতবার তার উত্তর খুঁজতে হবে? বছরের পর বছর ধরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। বিশ্বনেতারা উদ্বেগ জানাচ্ছেন, মানবিক সহায়তার কথা বলছেন, মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছেন। কিন্তু কক্সবাজারের ক্যাম্পে থাকা মানুষগুলোর জীবনে সেই আলোচনার প্রতিফলন কতটা পড়ছে?
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনেও রোহিঙ্গা সংকট গুরুত্ব পেয়েছে। এবারও সংকটটিকে গুরুতর মানবিক সংকট হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে এবং এর স্থায়ী সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা জোর দিয়ে বলা হয়েছে। কিন্তু এবারের আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্ভবত নতুন করে সেই পুরোনো প্রশ্নটিকে সামনে নিয়ে আসা- সেটা হলো রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বাস্তব পথটি কোথায়?
বাংলাদেশ বছরের পর বছর ধরে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। একটি মানবিক বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত খুলে দেওয়া থেকে শুরু করে এত বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য, চিকিৎসা, বাসস্থান ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা-এটি নিঃসন্দেহে একটি বড় মানবিক দায়িত্ব। কিন্তু এই দায়িত্বের কোনো শেষসীমা না থাকলে সেটি একসময় বাংলাদেশের জন্য গুরুতর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাগত চাপ তৈরি করে এবং করছে।
সেই বাস্তবতা থেকেই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এবার পাঁচ দফা প্রস্তাব সামনে এসেছে। প্রথমত, প্রত্যাবাসনের জন্য একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ ও সময়সীমা। দ্বিতীয়ত, রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা বন্ধ করে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করা।
তৃতীয়ত, প্রত্যাবাসনের আগ পর্যন্ত রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য দীর্ঘমেয়াদি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা।চতুর্থত, আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা। আর পঞ্চমত, মানব পাচার, মাদক ও অবৈধ অস্ত্রের চোরাচালান বন্ধে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা।
প্রস্তাবগুলোর দিকে তাকালে একটি বিষয় স্পষ্ট - বাংলাদেশ শুধু রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর কথা বলছে না, বরং তারা যেন নিরাপদ পরিবেশে, অধিকার ও মর্যাদা নিয়ে নিজেদের দেশে ফিরতে পারে, সেই নিশ্চয়তার কথাও বলছে।এটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শুধু সীমান্ত পার করিয়ে মানুষকে ফেরত পাঠানো আর টেকসই প্রত্যাবাসন এক বিষয় নয়।
বাংলাদেশ ও গাম্বিয়ার যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে আন্তর্জাতিক আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি সামনে এসেছে। গাম্বিয়া আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন চেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহ-পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজন দেখিয়েছে, রোহিঙ্গা সংকটের বিচারিক ও রাজনৈতিক দুই দিকই আন্তর্জাতিক আলোচনায় রয়েছে।
কিন্তু আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমর্থন থাকা আর সংকটের বাস্তব পরিবর্তন- দুটি ভিন্ন বিষয়। এই পার্থক্যটিই সবচেয়ে বেশি অনুভব করা যায় কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলোর বাস্তবতায়।
সেখানে শিশুরা বড় হচ্ছে। তরুণেরা ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় আছে। পরিবারগুলো বছরের পর বছর অপেক্ষা করছে। তাদের কাছে জাতিসংঘের প্রতিটি অধিবেশন, প্রতিটি প্রস্তাব এবং প্রতিটি আন্তর্জাতিক বিবৃতির শেষ প্রশ্ন একটাই,সেটা হল ফেরার পথ কবে খুলবে?
অন্যদিকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংঘাতের বাস্তবতা আরও জটিল হয়েছে। ফলে প্রত্যাবাসনের জন্য শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে ফিরে যাওয়া মানুষের নিরাপত্তা, অধিকার ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে বাস্তব নিশ্চয়তা থাকবে।
সাধারণ পরিষদের সভাপতি ড. খলিলুর রহমানের বক্তব্য - সংঘাত বা সহিংসতা দিয়ে কোনো সংকটের সমাধান সম্ভব নয়, কূটনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমেই সমাধানের পথে যেতে হবে - এই বাস্তবতাকেই সামনে আনে। তবে কূটনীতি তখনই কার্যকর হয়, যখন তার সঙ্গে রাজনৈতিক সদিচ্ছা এবং আন্তর্জাতিক চাপের কার্যকর সমন্বয় থাকে।
বাংলাদেশের জন্যও এটি এখন শুধু মানবিকতার প্রশ্ন নয়। দীর্ঘস্থায়ী শরণার্থী পরিস্থিতি একটি দেশের ওপর কতটা চাপ তৈরি করতে পারে, তার বাস্তব উদাহরণ বাংলাদেশ। তাই রোহিঙ্গা সংকটকে শুধু ত্রাণ ও শরণার্থী ব্যবস্থাপনার বিষয় হিসেবে দেখলে সমস্যার মূল জায়গাটি আড়ালে থেকে যাবে। ত্রাণ প্রয়োজন, মানবিক সহায়তা প্রয়োজন, কিন্তু এগুলো সংকটের স্থায়ী সমাধান নয়।
স্থায়ী সমাধানের অর্থ- নিরাপদ প্রত্যাবাসন, অধিকার নিশ্চিত করা, ন্যায়বিচার এবং মিয়ানমারে এমন রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে রোহিঙ্গারা আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার আশঙ্কা ছাড়াই নিজেদের দেশে বসবাস করতে পারে।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আবারও বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই আলোচনার পর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কতটা কার্যকর পদক্ষেপ নেয়।
কারণ রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আরেকটি বছর পার হওয়া মানে শুধু একটি সংকটের সময়কাল বাড়া নয়, এর অর্থ আরও একটি প্রজন্মের শিকড়হীন হয়ে বেড়ে ওঠা। জাতিসংঘের আলোচনার টেবিল থেকে কক্সবাজারের ক্যাম্প- দুই জায়গার দূরত্ব অনেক। কিন্তু এই দুই প্রান্তকে যুক্ত করার একমাত্র পথ হলো কার্যকর কূটনীতি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বাস্তব প্রত্যাবাসন। এবার সেই পথ কতটা এগোয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়।
লেখক: বিশেষ প্রতিনিধি, মাছরাঙা টেলিভিশন

আপনার মতামত লিখুন