সংবাদ

ঘিওরে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা


প্রতিনিধি, ঘিওর (মানিকগঞ্জ)
প্রতিনিধি, ঘিওর (মানিকগঞ্জ)
প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম

ঘিওরে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা
ছবি : সংবাদ

শীত আসতে এখনো দেরি থাকলেও মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। উপজেলার বড়টিয়া, পহেলা, সিংজুরী, বানিয়াজুরী ও বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের মাঠজুড়ে জমি প্রস্তুত, বীজতলা তৈরি, চারা রোপণ ও পরিচর্যার কাজ চলছে।

মৌসুমের শুরুতেই বাজারে সবজি তুলে ভালো দাম পাওয়ার আশায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, উচ্ছে, করলা ও শিমসহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করছেন চাষিরা। কোনো কোনো জমিতে এরই মধ্যে ফুল ও ফল আসতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে এসব সবজি বাজারে উঠবে বলে আশা করছেন তারা। 

ঘিওর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তবে সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে বলে জানান মাইলাগী গ্রামের কৃষক আব্দুল মোন্নাফ। এ ছাড়া অতিবৃষ্টি, রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ঠাকুরকান্দি গ্রামের কৃষক মজিবর, জয়নাল, আলম ও তফছের উৎপাদিত সবজির ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ঘিওরে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

শীত আসতে এখনো দেরি থাকলেও মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা। উপজেলার বড়টিয়া, পহেলা, সিংজুরী, বানিয়াজুরী ও বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের মাঠজুড়ে জমি প্রস্তুত, বীজতলা তৈরি, চারা রোপণ ও পরিচর্যার কাজ চলছে।

মৌসুমের শুরুতেই বাজারে সবজি তুলে ভালো দাম পাওয়ার আশায় ফুলকপি, বাঁধাকপি, বেগুন, উচ্ছে, করলা ও শিমসহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ করছেন চাষিরা। কোনো কোনো জমিতে এরই মধ্যে ফুল ও ফল আসতে শুরু করেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আগামী এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে এসব সবজি বাজারে উঠবে বলে আশা করছেন তারা। 

ঘিওর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তহমিনা খাতুন জানান, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তবে সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে বলে জানান মাইলাগী গ্রামের কৃষক আব্দুল মোন্নাফ। এ ছাড়া অতিবৃষ্টি, রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণের ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে ঠাকুরকান্দি গ্রামের কৃষক মজিবর, জয়নাল, আলম ও তফছের উৎপাদিত সবজির ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত