হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশে আগামী নভেম্বর পর্যন্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করতে পারছে না কাতারএনার্জি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
একই সংকটময় পরিস্থিতির কারণে ইতালির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান 'এডিসন'-কেও আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে কাতারএনার্জি।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা তৈরি হয়। ফলে আন্তর্জাতিক রুটে জ্বালানি পরিবহন ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাতারএনার্জি প্রথম চুক্তির 'ফোর্স মেজার' (অনিবার্য বা অনিয়ন্ত্রণযোগ্য পরিস্থিতি) ধারা উল্লেখ করে এলএনজি সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে এ সিদ্ধান্তের মেয়াদ বাড়ানো হয়, যা নতুন করে নভেম্বর পর্যন্ত গড়াচ্ছে।
উচ্চমাত্রার নিরাপত্তাঝুঁকি ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ফলে কাতার নিজেও বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিসের (ICIS) উপাত্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট সময়কালে কাতার যেখানে ৫০৯টি এলএনজি কার্গো বিশ্ববাজারে পাঠাতে পেরেছিল, ২০২৬ সালের একই সময়ে তা নেমে মাত্র ১৮টি কার্গোতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ কাতারের মোট এলএনজি রপ্তানি প্রায় ৯৬ শতাংশই ধসে পড়েছে।
আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভর করে চাহিদা মেটানো বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে কাতারএনার্জির এই সিদ্ধান্ত নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশ ও পাকিস্তানসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশে আগামী নভেম্বর পর্যন্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করতে পারছে না কাতারএনার্জি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাতে সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
একই সংকটময় পরিস্থিতির কারণে ইতালির বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক প্রতিষ্ঠান 'এডিসন'-কেও আগামী ডিসেম্বরের প্রথমার্ধ পর্যন্ত এলএনজি সরবরাহ করা সম্ভব হবে না বলে জানিয়েছে কাতারএনার্জি।
চলতি বছরের এপ্রিল মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরুর পর হরমুজ প্রণালিতে অস্থিরতা তৈরি হয়। ফলে আন্তর্জাতিক রুটে জ্বালানি পরিবহন ও সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কাতারএনার্জি প্রথম চুক্তির 'ফোর্স মেজার' (অনিবার্য বা অনিয়ন্ত্রণযোগ্য পরিস্থিতি) ধারা উল্লেখ করে এলএনজি সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে ধাপে ধাপে এ সিদ্ধান্তের মেয়াদ বাড়ানো হয়, যা নতুন করে নভেম্বর পর্যন্ত গড়াচ্ছে।
উচ্চমাত্রার নিরাপত্তাঝুঁকি ও ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার ফলে কাতার নিজেও বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান আইসিসের (ICIS) উপাত্ত অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট সময়কালে কাতার যেখানে ৫০৯টি এলএনজি কার্গো বিশ্ববাজারে পাঠাতে পেরেছিল, ২০২৬ সালের একই সময়ে তা নেমে মাত্র ১৮টি কার্গোতে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ কাতারের মোট এলএনজি রপ্তানি প্রায় ৯৬ শতাংশই ধসে পড়েছে।
আমদানিকৃত এলএনজির ওপর নির্ভর করে চাহিদা মেটানো বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে কাতারএনার্জির এই সিদ্ধান্ত নতুন করে চাপ তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন