ফরিদপুরের ঐহিত্যবাহী ‘জসীম পল্লী মেলা’ পুনরায় আয়োজনের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশ ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে এবং জেলার সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর যৌথ ব্যানারে ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।
ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, টানা চার বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী এই মেলা বন্ধ থাকায় ফরিদপুরের সংস্কৃতিমনা মানুষসহ সাধারণ নাগরিকরা চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। জসীম পল্লী মেলা কেবল ফরিদপুরের সম্পদ নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই মেলাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পের প্রসারের সুযোগ তৈরি হয়, যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অর্থনীতি সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।
কর্মসূচি থেকে আগামী বছর থেকে নিয়মিতভাবে এই মেলা পুনরায় শুরু করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান এবং জেলা প্রশাসকের কাছে মেলা চালুর দাবি সংবলিত স্মারকলিপি পেশ করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা পাগলা বাবলু খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মফিজ ইমাম মিলন, অ্যাডভোকেট বশীর আহমেদ চৌধুরী, তৌহিদুল ইসলাম স্টালিন, মেহেদী হাসান মিঠু, পলাশ খান, মাহফুজ খান বাদল, আনিসুর রহমান ও শামীমা বেগম। এ সময় ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রবীণ ও নবীন নেতৃবৃন্দ একাত্মতা ও সংহতি প্রকাশ করে কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
ফরিদপুরের ঐহিত্যবাহী ‘জসীম পল্লী মেলা’ পুনরায় আয়োজনের দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশ ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে এবং জেলার সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর যৌথ ব্যানারে ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সামনে এসব কর্মসূচি পালন করা হয়।
ফরিদপুর সাহিত্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক আব্দুস সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা বলেন, টানা চার বছর ধরে ঐতিহ্যবাহী এই মেলা বন্ধ থাকায় ফরিদপুরের সংস্কৃতিমনা মানুষসহ সাধারণ নাগরিকরা চরম হতাশায় দিন কাটাচ্ছেন। জসীম পল্লী মেলা কেবল ফরিদপুরের সম্পদ নয়, এটি পুরো বাংলাদেশের লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই মেলাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হস্তশিল্প ও কুটির শিল্পের প্রসারের সুযোগ তৈরি হয়, যা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের অর্থনীতি সচল রাখতে বড় ভূমিকা রাখে।
কর্মসূচি থেকে আগামী বছর থেকে নিয়মিতভাবে এই মেলা পুনরায় শুরু করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে নেতৃবৃন্দ একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান এবং জেলা প্রশাসকের কাছে মেলা চালুর দাবি সংবলিত স্মারকলিপি পেশ করেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা পাগলা বাবলু খান, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সাহিত্যিক মফিজ ইমাম মিলন, অ্যাডভোকেট বশীর আহমেদ চৌধুরী, তৌহিদুল ইসলাম স্টালিন, মেহেদী হাসান মিঠু, পলাশ খান, মাহফুজ খান বাদল, আনিসুর রহমান ও শামীমা বেগম। এ সময় ফরিদপুর প্রেস ক্লাবের সাংবাদিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রবীণ ও নবীন নেতৃবৃন্দ একাত্মতা ও সংহতি প্রকাশ করে কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন