ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সে অধ্যয়নরত এবং বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের মেধাবী ৮ জন শিক্ষার্থীকে মর্যাদাপূর্ণ আলী রীয়াজ স্নাতকোত্তর গবেষণা পুরস্কার ও বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন শিক্ষার্থীকে গবেষণা পুরস্কার এবং ৬ জন শিক্ষার্থীকে গবেষণা বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে এই গবেষণা পুরস্কার ও বৃত্তির চেক তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বা সরাসরি যুক্ত হয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন বিভাগের জনপ্রিয় শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের যেকোনো বড় সাফল্যের পেছনে তাদের পরিবার, বাবা-মা এবং সমাজের বহু মানুষের আত্মত্যাগ ও সহযোগিতা জড়িয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সুনাগরিক ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠে এসব অবদানের যোগ্য প্রতিদান দিতে হবে। একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ এবং বৈষম্যহীন দেশ গঠনে তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তিনি।
উপাচার্য আরও বলেন, শুধু সরকারি ফান্ডের ওপর এককভাবে নির্ভর করে আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঙ্ক্ষিত মানে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং বরেণ্য অ্যালামনাইদের আন্তরিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানকে বিশ্বমানে উন্নীত করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগে অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করে বড় পরিসরে ‘এনডাউমেন্ট ফান্ড’ গঠনের কঠোর তাগিদ দেন এবং শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আলী রীয়াজ স্নাতকোত্তর গবেষণা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন অর্থী নবনীতা এবং ফারাহ জাহান শুচি। এছাড়া আলী রীয়াজ স্নাতকোত্তর গবেষণা বৃত্তি লাভ করেন ফারাহ জাহান শুচি, উসামা রাফিদ, আজরা হুমায়রা, কৌরিত্র পোদ্দার তীর্থ, মোহাম্মদ আল মুকিত এবং মুহাম্মদ মুযযাম্মিল হক।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সে অধ্যয়নরত এবং বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের মেধাবী ৮ জন শিক্ষার্থীকে মর্যাদাপূর্ণ আলী রীয়াজ স্নাতকোত্তর গবেষণা পুরস্কার ও বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ জন শিক্ষার্থীকে গবেষণা পুরস্কার এবং ৬ জন শিক্ষার্থীকে গবেষণা বৃত্তি দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মুজাফফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে এই গবেষণা পুরস্কার ও বৃত্তির চেক তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছাড়াও সম্মানিত অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি বা সরাসরি যুক্ত হয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির ডিস্টিংগুইশড প্রফেসর ড. আলী রীয়াজ। পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সুচারুভাবে সঞ্চালনা করেন বিভাগের জনপ্রিয় শিক্ষক অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।
বৃত্তিপ্রাপ্ত ও পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের যেকোনো বড় সাফল্যের পেছনে তাদের পরিবার, বাবা-মা এবং সমাজের বহু মানুষের আত্মত্যাগ ও সহযোগিতা জড়িয়ে থাকে। শিক্ষার্থীদের প্রকৃত সুনাগরিক ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে উঠে এসব অবদানের যোগ্য প্রতিদান দিতে হবে। একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ এবং বৈষম্যহীন দেশ গঠনে তাদের অগ্রণী ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানান তিনি।
উপাচার্য আরও বলেন, শুধু সরকারি ফান্ডের ওপর এককভাবে নির্ভর করে আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঙ্ক্ষিত মানে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে বিভিন্ন বেসরকারি অংশীদারিত্ব এবং বরেণ্য অ্যালামনাইদের আন্তরিক সহযোগিতা অত্যন্ত জরুরি। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানকে বিশ্বমানে উন্নীত করা সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি বিভাগে অ্যালামনাইদের সম্পৃক্ত করে বড় পরিসরে ‘এনডাউমেন্ট ফান্ড’ গঠনের কঠোর তাগিদ দেন এবং শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে আলী রীয়াজ স্নাতকোত্তর গবেষণা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন অর্থী নবনীতা এবং ফারাহ জাহান শুচি। এছাড়া আলী রীয়াজ স্নাতকোত্তর গবেষণা বৃত্তি লাভ করেন ফারাহ জাহান শুচি, উসামা রাফিদ, আজরা হুমায়রা, কৌরিত্র পোদ্দার তীর্থ, মোহাম্মদ আল মুকিত এবং মুহাম্মদ মুযযাম্মিল হক।

আপনার মতামত লিখুন