শহরের দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি লং রাইড, পাহাড়ি পথ কিংবা অফরোডে বাইক চালানোর আগ্রহ বাড়ছে। এমন ক্রেতাদের লক্ষ্য করে ভারতের বাজারে নতুন দুটি অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল এনেছে হোন্ডা। মডেল দুটি হলো এক্সআর৩০০এল ও এক্সআর৩০০ র্যালি।
দুই বাইকেই রয়েছে ২৯৩.৫ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এয়ার ও অয়েল কুলিং প্রযুক্তির এই ইঞ্জিন থেকে সর্বোচ্চ ২৪.৩ বিএইচপি শক্তি এবং ২৬.৫ এনএম টর্ক পাওয়া যায়।
অফরোডের উপযোগী হার্ডওয়্যার
এক্সআর৩০০এল ও এক্সআর৩০০ র্যালির নকশায় ডার্ট বাইকের ছাপ রয়েছে। সামনে বড় মাডগার্ডের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন। দীর্ঘপথে চলার সময় উইন্ডস্ক্রিন রাইডারকে বাড়তি সুরক্ষা দিতে পারে।
ভারতীয় সংস্করণের এগজস্ট ডিজাইনে অবশ্য আন্তর্জাতিক বাজারের মডেলের তুলনায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বাইক দুটির সাসপেনশন ব্যবস্থাতেও অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সামনে রয়েছে আপসাইড ডাউন ফর্ক এবং পেছনে মনোশক সাসপেনশন। সঙ্গে লং ট্রাভেল সাসপেনশন থাকায় অসমান বা খারাপ রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা তুলনামূলক সহজ হওয়ার কথা।
ব্রেকিংয়ের জন্য সামনে ও পেছনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে দ্বৈত উদ্দেশ্যমূলক টায়ার ও তারের স্পোক চাকা।
র্যালি মডেলে বাড়তি সুবিধা
দুটি মডেলের মধ্যে এক্সআর৩০০ র্যালিতে কিছু অতিরিক্ত ফিচার রাখা হয়েছে। এতে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের তুলনায় বড় উইন্ডস্ক্রিনের পাশাপাশি নাকল গার্ড রয়েছে।
রাইডারের সামনে রয়েছে ৫ ইঞ্চির টিএফটি ডিসপ্লে। এর মাধ্যমে বাইকের বিভিন্ন তথ্য আরও আধুনিকভাবে দেখার সুবিধা পাওয়া যাবে।
দাম কত
আন্তর্জাতিক বাজারে এক্সআর৩০০ সিরিজ আগে থেকেই পরিচিত। এবার ভারতের বাজারে এক্সআর৩০০এল ও এক্সআর৩০০ র্যালি যুক্ত করে অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেলের ক্রেতাদের জন্য নতুন দুটি বিকল্প এনেছে হোন্ডা।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
শহরের দৈনন্দিন যাতায়াতের পাশাপাশি লং রাইড, পাহাড়ি পথ কিংবা অফরোডে বাইক চালানোর আগ্রহ বাড়ছে। এমন ক্রেতাদের লক্ষ্য করে ভারতের বাজারে নতুন দুটি অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেল এনেছে হোন্ডা। মডেল দুটি হলো এক্সআর৩০০এল ও এক্সআর৩০০ র্যালি।
দুই বাইকেই রয়েছে ২৯৩.৫ সিসির সিঙ্গল-সিলিন্ডার ইঞ্জিন। এয়ার ও অয়েল কুলিং প্রযুক্তির এই ইঞ্জিন থেকে সর্বোচ্চ ২৪.৩ বিএইচপি শক্তি এবং ২৬.৫ এনএম টর্ক পাওয়া যায়।
অফরোডের উপযোগী হার্ডওয়্যার
এক্সআর৩০০এল ও এক্সআর৩০০ র্যালির নকশায় ডার্ট বাইকের ছাপ রয়েছে। সামনে বড় মাডগার্ডের সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ফেয়ারিং ও উইন্ডস্ক্রিন। দীর্ঘপথে চলার সময় উইন্ডস্ক্রিন রাইডারকে বাড়তি সুরক্ষা দিতে পারে।
ভারতীয় সংস্করণের এগজস্ট ডিজাইনে অবশ্য আন্তর্জাতিক বাজারের মডেলের তুলনায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।
বাইক দুটির সাসপেনশন ব্যবস্থাতেও অ্যাডভেঞ্চার রাইডিংয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সামনে রয়েছে আপসাইড ডাউন ফর্ক এবং পেছনে মনোশক সাসপেনশন। সঙ্গে লং ট্রাভেল সাসপেনশন থাকায় অসমান বা খারাপ রাস্তায় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা তুলনামূলক সহজ হওয়ার কথা।
ব্রেকিংয়ের জন্য সামনে ও পেছনে ডিস্ক ব্রেক রয়েছে। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে দ্বৈত উদ্দেশ্যমূলক টায়ার ও তারের স্পোক চাকা।
র্যালি মডেলে বাড়তি সুবিধা
দুটি মডেলের মধ্যে এক্সআর৩০০ র্যালিতে কিছু অতিরিক্ত ফিচার রাখা হয়েছে। এতে স্ট্যান্ডার্ড মডেলের তুলনায় বড় উইন্ডস্ক্রিনের পাশাপাশি নাকল গার্ড রয়েছে।
রাইডারের সামনে রয়েছে ৫ ইঞ্চির টিএফটি ডিসপ্লে। এর মাধ্যমে বাইকের বিভিন্ন তথ্য আরও আধুনিকভাবে দেখার সুবিধা পাওয়া যাবে।
দাম কত
আন্তর্জাতিক বাজারে এক্সআর৩০০ সিরিজ আগে থেকেই পরিচিত। এবার ভারতের বাজারে এক্সআর৩০০এল ও এক্সআর৩০০ র্যালি যুক্ত করে অ্যাডভেঞ্চার মোটরসাইকেলের ক্রেতাদের জন্য নতুন দুটি বিকল্প এনেছে হোন্ডা।

আপনার মতামত লিখুন