সৌদি আরবের জেদ্দায় একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মহিউল ইসলাম পলাশ ও ওবায়দুল ইসলাম নামে দুই বাংলাদেশী প্রবাসী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর জেদ্দা শহরের তামানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মহিউল ইসলাম পলাশ ঢাকার দোহার উপজেলার উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের নাজিম উদ্দিন ওরফে কুদ্দুস মোল্লার ছেলে এবং ওবায়দুল ইসলাম একই গ্রামের হারুন বেপারীর ছেলে। জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে তারা সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ওই বহুতল ভবনে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভবনের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়লে ভেতরে থাকা পলাশ ও ওবায়দুল আটকা পড়েন। জীবন বাঁচাতে তারা বের হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত আর বের হতে পারেননি।
খবর পেয়ে সৌদি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ভবনের ভেতর থেকে পলাশ ও ওবায়দুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বর্তমানে জেদ্দার স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমঘরে তাদের মরদেহ রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে দুই প্রবাসীর আকস্মিক মৃত্যুর খবরে উত্তর শিমুলিয়া গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকার পরিবেশ।
নিহত মহিউল ইসলাম পলাশের ছোট ভাই হাসান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার বাবা এক বছর আগে মারা গেছেন। আজ আমার বড় ভাইও চলে গেলেন। এখন আমাদের অভিভাবক বলতে আর কেউ রইল না, আমরা তো একেবারেই নিঃস্ব হয়ে গেলাম। আমার ভাইয়ের ৯ বছরের একটি মেয়ে ও মাত্র তিন মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। ওদের ভবিষ্যৎ এখন কী হবে?’
পলাশ ও ওবায়দুলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষের জরুরি সহায়তা ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শোকাহত স্বজনরা।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
সৌদি আরবের জেদ্দায় একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মহিউল ইসলাম পলাশ ও ওবায়দুল ইসলাম নামে দুই বাংলাদেশী প্রবাসী নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর জেদ্দা শহরের তামানি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মহিউল ইসলাম পলাশ ঢাকার দোহার উপজেলার উত্তর শিমুলিয়া গ্রামের নাজিম উদ্দিন ওরফে কুদ্দুস মোল্লার ছেলে এবং ওবায়দুল ইসলাম একই গ্রামের হারুন বেপারীর ছেলে। জীবিকার তাগিদে প্রায় তিন বছর আগে তারা সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ওই বহুতল ভবনে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ভবনের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়লে ভেতরে থাকা পলাশ ও ওবায়দুল আটকা পড়েন। জীবন বাঁচাতে তারা বের হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত আর বের হতে পারেননি।
খবর পেয়ে সৌদি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে ভবনের ভেতর থেকে পলাশ ও ওবায়দুলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বর্তমানে জেদ্দার স্থানীয় একটি হাসপাতালের হিমঘরে তাদের মরদেহ রাখা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দ্রুত বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার প্রস্তুতি চলছে বলে স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে দুই প্রবাসীর আকস্মিক মৃত্যুর খবরে উত্তর শিমুলিয়া গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পুরো এলাকার পরিবেশ।
নিহত মহিউল ইসলাম পলাশের ছোট ভাই হাসান কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘আমার বাবা এক বছর আগে মারা গেছেন। আজ আমার বড় ভাইও চলে গেলেন। এখন আমাদের অভিভাবক বলতে আর কেউ রইল না, আমরা তো একেবারেই নিঃস্ব হয়ে গেলাম। আমার ভাইয়ের ৯ বছরের একটি মেয়ে ও মাত্র তিন মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। ওদের ভবিষ্যৎ এখন কী হবে?’
পলাশ ও ওবায়দুলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃর্পক্ষের জরুরি সহায়তা ও হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শোকাহত স্বজনরা।

আপনার মতামত লিখুন