সংবাদ

'পুনরায় ফিরছে' 'শেখ মুজিবুর রহমান হল'!

সরানো হলো 'শহীদ ওসমান হাদি হল' নামফলক


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১২ পিএম

সরানো হলো 'শহীদ ওসমান হাদি হল' নামফলক
ছ‌বি: সংগৃ‌হিত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটক থেকে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' লেখা নামফলক সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে পুনরায় মূল নাম 'শেখ মুজিবুর রহমান হল' লেখা নামফলক প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলে জানা গেছে।

​আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে হল গেট থেকে নামফলকটি সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়। নাম পরিবর্তনের কারণে সৃষ্টি হওয়া বিভ্রান্তি এড়াতে শিক্ষার্থী ও হল প্রশাসনের উদ্যোগে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে।
​নামফলক পরিবর্তনের বিষয়ে শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্র ইউনিয়নের বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব হলে আসা অনেকেই হলটি কোনটি, তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়তেন।"
​সার্বিক বিষয়ের ব্যাখ্যা দিয়ে হলের সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জোবান আলী বলেন, "শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হল প্রশাসন নামটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে।"
​বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়াকে কেন্দ্র করে চলতি বছরের ২৯ জুন রাতে বার্ষিক সিনেট অধিবেশন থেকে ডাকসুর পাঁচ প্রতিনিধি ওয়াকআউট করেছিলেন।
ওই অধিবেশনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম স্থাপনাগুলোর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সিন্ডিকেটে ফেরত পাঠানোর ঘোষণা দিলে ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ, সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুহাম্মদ মাহিউদ্দীন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ এবং সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।
​এর আগে শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' করার জোর দাবি জানান হল সংসদের নেতারা। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার দিকে হলের মূল গেটে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' লেখা একটি ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
​সে সময় হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক আল সাবাহ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অধিকাংশ শিক্ষার্থীই তৎকালীন নাম পরিবর্তনের পক্ষে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সরানো হলো 'শহীদ ওসমান হাদি হল' নামফলক

প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটক থেকে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' লেখা নামফলক সরিয়ে ফেলা হয়েছে। সেখানে পুনরায় মূল নাম 'শেখ মুজিবুর রহমান হল' লেখা নামফলক প্রতিস্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বলে জানা গেছে।

​আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে হল গেট থেকে নামফলকটি সরিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়। নাম পরিবর্তনের কারণে সৃষ্টি হওয়া বিভ্রান্তি এড়াতে শিক্ষার্থী ও হল প্রশাসনের উদ্যোগে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হচ্ছে।
​নামফলক পরিবর্তনের বিষয়ে শেখ মুজিবুর রহমান হল ছাত্র ইউনিয়নের বহিরাঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান জানান, "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুজিব হলে আসা অনেকেই হলটি কোনটি, তা নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়তেন।"
​সার্বিক বিষয়ের ব্যাখ্যা দিয়ে হলের সিনিয়র প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. জোবান আলী বলেন, "শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে হল প্রশাসন নামটি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার কাজ করছে।"
​বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শেখ পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা পাঁচটি স্থাপনার নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়াকে কেন্দ্র করে চলতি বছরের ২৯ জুন রাতে বার্ষিক সিনেট অধিবেশন থেকে ডাকসুর পাঁচ প্রতিনিধি ওয়াকআউট করেছিলেন।
ওই অধিবেশনে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম স্থাপনাগুলোর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব সিন্ডিকেটে ফেরত পাঠানোর ঘোষণা দিলে ডাকসুর সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ, সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) মুহাম্মদ মাহিউদ্দীন, পরিবহন সম্পাদক আসিফ আবদুল্লাহ এবং সদস্য সাবিকুন্নাহার তামান্না প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন।
​এর আগে শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' করার জোর দাবি জানান হল সংসদের নেতারা। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর রাত আড়াইটার দিকে হলের মূল গেটে 'শহীদ ওসমান হাদি হল' লেখা একটি ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হয়।
​সে সময় হল সংসদের সাধারণ সম্পাদক আল সাবাহ গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়েছে এবং অধিকাংশ শিক্ষার্থীই তৎকালীন নাম পরিবর্তনের পক্ষে তাদের মতামত ব্যক্ত করেছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত