ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি খাল ভরাট ও কৃষকদের জমি জবরদখল করে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম লাল মিয়া। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঠবাড়ি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি একটি খাল অবৈধভাবে ভরাট করছেন লাল মিয়া। জলাশয় ও খাল রক্ষায় সরকারি কড়া নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না তিনি। এর ফলে রঘুনাথপুরসহ আশেপাশের তিন-চারটি গ্রামের কয়েক শ কৃষকের জমিতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসংকটের বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, খালের সিংহভাগ ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া মঠবাড়ি ও রঘুনাথপুর এলাকার দরিদ্র কৃষকদের জমি চুক্তিভিত্তিক ভাড়া নেওয়ার কথা বলে দখল করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ার টাকা না দিয়ে সেগুলোতে জোরপূর্বক মাছ চাষ করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে কোনো প্রতিকার না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগী কয়েকটি পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘চোখের সামনে লাল মিয়া সরকারি খাল ভরাট করে নিয়েছে। খালের পাশের জমি ভাড়া নেওয়ার নাম করে দখল করেছে। আমার ১৩ শতাংশ জমি সে ৭ বছর ধরে বেদখল করে রেখেছে। আমি সরকারের কাছে বিচার চাই।’
আরেক ভুক্তভোগী সাদ্দাম হোসেন জানান, তার ৯ শতাংশ জমি ১২ বছর ধরে লাল মিয়া দখল করে রেখেছে এবং কোনো ভাড়া দিচ্ছে না। কৃষক মোখলেছুর রহমান অভিযোগ করেন, তার ৩২.৫ শতাংশ জমি বিগত ১২ বছর ধরে বেদখল করে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে লাল মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নে সরকারি খাল ভরাট ও কৃষকদের জমি জবরদখল করে মাছ চাষের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম লাল মিয়া। সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেও কোনো সুফল পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মঠবাড়ি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সরকারি একটি খাল অবৈধভাবে ভরাট করছেন লাল মিয়া। জলাশয় ও খাল রক্ষায় সরকারি কড়া নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেন না তিনি। এর ফলে রঘুনাথপুরসহ আশেপাশের তিন-চারটি গ্রামের কয়েক শ কৃষকের জমিতে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা এবং শুষ্ক মৌসুমে সেচসংকটের বড় ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) সরেজমিনে দেখা যায়, খালের সিংহভাগ ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া মঠবাড়ি ও রঘুনাথপুর এলাকার দরিদ্র কৃষকদের জমি চুক্তিভিত্তিক ভাড়া নেওয়ার কথা বলে দখল করে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দীর্ঘদিন ধরে ভাড়ার টাকা না দিয়ে সেগুলোতে জোরপূর্বক মাছ চাষ করা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে কোনো প্রতিকার না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন ভুক্তভোগী কয়েকটি পরিবার।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘চোখের সামনে লাল মিয়া সরকারি খাল ভরাট করে নিয়েছে। খালের পাশের জমি ভাড়া নেওয়ার নাম করে দখল করেছে। আমার ১৩ শতাংশ জমি সে ৭ বছর ধরে বেদখল করে রেখেছে। আমি সরকারের কাছে বিচার চাই।’
আরেক ভুক্তভোগী সাদ্দাম হোসেন জানান, তার ৯ শতাংশ জমি ১২ বছর ধরে লাল মিয়া দখল করে রেখেছে এবং কোনো ভাড়া দিচ্ছে না। কৃষক মোখলেছুর রহমান অভিযোগ করেন, তার ৩২.৫ শতাংশ জমি বিগত ১২ বছর ধরে বেদখল করে রাখা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে লাল মিয়ার সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন