যশোরের বেনাপোল সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে গত পাঁচ দিনে ২৬ লাখ ৬ হাজার ৬৮৫ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্র জানায়, গত ২ অক্টোবর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত যশোরের বেনাপোল আইসিপি, আমড়াখালী চেকপোস্ট, বেনাপোল বিওপি এবং হিজলী বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে জব্দ হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ২০৫টি শাড়ি, ২২টি থ্রি-পিস, ১৬টি কম্বল, ৮৮টি কলম, ১ হাজার ৬৮ প্যাকেট বিস্কুট, ২০৪ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ এবং ১ হাজার ২০টি কসমেটিকস সামগ্রী। এ ছাড়া ১ কেজি ৫০০ গ্রাম জিরা, কিসমিস, ফুচকা ও বিছানার চাদরসহ ৪৮ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা এসব মালামাল ও মাদকের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ২৬ লাখ ৬ হাজার ৬৮৫ টাকা।
এ বিষয়ে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি এবং আভিযানিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সীমান্তজুড়ে বিজিবির এই কঠোর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে পৃথক অভিযান চালিয়ে গত পাঁচ দিনে ২৬ লাখ ৬ হাজার ৬৮৫ টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের চোরাচালানি মালামাল ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বিজিবি সূত্র জানায়, গত ২ অক্টোবর থেকে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত যশোরের বেনাপোল আইসিপি, আমড়াখালী চেকপোস্ট, বেনাপোল বিওপি এবং হিজলী বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযানে জব্দ হওয়া মালামালের মধ্যে রয়েছে ২০৫টি শাড়ি, ২২টি থ্রি-পিস, ১৬টি কম্বল, ৮৮টি কলম, ১ হাজার ৬৮ প্যাকেট বিস্কুট, ২০৪ পিস বিভিন্ন প্রকার ওষুধ এবং ১ হাজার ২০টি কসমেটিকস সামগ্রী। এ ছাড়া ১ কেজি ৫০০ গ্রাম জিরা, কিসমিস, ফুচকা ও বিছানার চাদরসহ ৪৮ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা এসব মালামাল ও মাদকের মোট আনুমানিক বাজারমূল্য ২৬ লাখ ৬ হাজার ৬৮৫ টাকা।
এ বিষয়ে যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে বিজিবির বিশেষ পরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি এবং আভিযানিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সীমান্তজুড়ে বিজিবির এই কঠোর নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন