ফরিদপুরে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটে ‘গজ’ রেখে সেলাই দেওয়ার পর দীর্ঘ চার মাস ধরে মারাত্মক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ (নার্স) বিথী আক্তার (২৭)। অবশেষে ভুল চিকিৎসার মাশুল দিয়ে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত বিথী আক্তার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের তমিজউদ্দীন মৃধাপাড়ার ছোরাপ মন্ডলের মেয়ে। তিনি স্বামী মো. কামরুল ইসলামের সঙ্গে গোয়ালন্দের জামতলা এলাকায় বাস করতেন।
পরিবারের অভিযোগ, চার মাস আগে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিথীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেন ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. অরবিন্দ। অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকের অবহেলায় তার পেটের ভেতর গজ রেখেই সেলাই করে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই প্রতিনিয়ত তীব্র ব্যথায় ভুগছিলেন বিথী। একপর্যায়ে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে তাকে প্রথমে হাসপাতালের সিসিইউ ও পরে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিথীর পরিবার আক্ষেপ করে জানায়, ভুল চিকিৎসার কারণে চার মাস ধরে ধুঁকে ধুঁকে ভোগার পর মারা গেলেন এই নার্স। এই চার মাসে তিনি নিজের নবজাতক সন্তানকে এক মুহূর্তের জন্যও বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেননি, খাওয়াতে পারেননি বুকের দুধও। মায়ের পরশ থেকে বঞ্চিত হয়ে রইল তার চার মাসের শিশু সন্তানটি।
স্বজনেরা জানান, ঘটনার সমস্ত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্র, আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট এবং বিথীর নিজের বলে যাওয়া জবানবন্দির রেকর্ড তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। ভুল চিকিৎসায় জড়িত দুই চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, জরিমানা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ফরিদপুর ও রাজবাড়ীর স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
ফরিদপুরে সিজারিয়ান অস্ত্রোপচারের সময় পেটে ‘গজ’ রেখে সেলাই দেওয়ার পর দীর্ঘ চার মাস ধরে মারাত্মক শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ (নার্স) বিথী আক্তার (২৭)। অবশেষে ভুল চিকিৎসার মাশুল দিয়ে মৃত্যুর কাছে হার মানলেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। নিহত বিথী আক্তার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের তমিজউদ্দীন মৃধাপাড়ার ছোরাপ মন্ডলের মেয়ে। তিনি স্বামী মো. কামরুল ইসলামের সঙ্গে গোয়ালন্দের জামতলা এলাকায় বাস করতেন।
পরিবারের অভিযোগ, চার মাস আগে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিথীর সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করেন ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক ডা. অরবিন্দ। অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকের অবহেলায় তার পেটের ভেতর গজ রেখেই সেলাই করে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই প্রতিনিয়ত তীব্র ব্যথায় ভুগছিলেন বিথী। একপর্যায়ে শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি হলে তাকে প্রথমে হাসপাতালের সিসিইউ ও পরে ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
বিথীর পরিবার আক্ষেপ করে জানায়, ভুল চিকিৎসার কারণে চার মাস ধরে ধুঁকে ধুঁকে ভোগার পর মারা গেলেন এই নার্স। এই চার মাসে তিনি নিজের নবজাতক সন্তানকে এক মুহূর্তের জন্যও বুকে জড়িয়ে ধরতে পারেননি, খাওয়াতে পারেননি বুকের দুধও। মায়ের পরশ থেকে বঞ্চিত হয়ে রইল তার চার মাসের শিশু সন্তানটি।
স্বজনেরা জানান, ঘটনার সমস্ত চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্র, আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট এবং বিথীর নিজের বলে যাওয়া জবানবন্দির রেকর্ড তাদের কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। ভুল চিকিৎসায় জড়িত দুই চিকিৎসকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, জরিমানা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ফরিদপুর ও রাজবাড়ীর স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভুক্তভোগী পরিবারের লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন