সাতক্ষীরার কলারোয়ায় চেতনানাশক বিষাক্ত স্প্রেতে আক্রান্ত হয়ে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ১৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অচেতন অবস্থায় তাদের কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের দামোদরকাঠি গ্রামের দাউদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দাউদ, রিপন ও পারভীন খাতুন নামের তিন সদস্য বাড়ির আঙিনায় কাজ করতে যান। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে তারা উঠানেই লুটিয়ে পড়েন। স্বজনেরা তাদের উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর দিনভর পরিবারের অন্য সদস্যরাও একইভাবে মাথা ঘুরে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত একে একে শিশু, নারী ও পুরুষসহ ১৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিরা হলেন - পারভীন খাতুন, আবু দাউদ, সিনথিয়া, আবু রায়হান, হাফিজুর রহমান, মেসের আলী, সকিনা খাতুন, রিপন হোসেন, আসমা খাতুন, মমতাজ বেগম, শিশু মেহনাজ, খালিদ হোসেন, সিয়াম হোসেন ও শামীমা খাতুন।
এলাকাবাসীর ধারণা, চুরির উদ্দেশ্যে কোনো অপরাধী চক্র বা মাদকাসক্ত কিশোর গ্যাং রাতে বা ভোরে বিষাক্ত স্প্রে ছড়িয়ে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। কয়েক দিন আগে একই গ্রামে একইভাবে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করে দুটি মোটরসাইকেল ও একটি ইজিবাইক চুরির ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, বিষাক্ত চেতনানাশক স্প্রেতে আক্রান্ত হয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
সাতক্ষীরার কলারোয়ায় চেতনানাশক বিষাক্ত স্প্রেতে আক্রান্ত হয়ে একই পরিবারের নারী ও শিশুসহ ১৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অচেতন অবস্থায় তাদের কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের দামোদরকাঠি গ্রামের দাউদের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দাউদ, রিপন ও পারভীন খাতুন নামের তিন সদস্য বাড়ির আঙিনায় কাজ করতে যান। এ সময় হঠাৎ মাথা ঘুরে তারা উঠানেই লুটিয়ে পড়েন। স্বজনেরা তাদের উদ্ধার করে কলারোয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। এরপর দিনভর পরিবারের অন্য সদস্যরাও একইভাবে মাথা ঘুরে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন। সকাল থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত একে একে শিশু, নারী ও পুরুষসহ ১৫ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ব্যক্তিরা হলেন - পারভীন খাতুন, আবু দাউদ, সিনথিয়া, আবু রায়হান, হাফিজুর রহমান, মেসের আলী, সকিনা খাতুন, রিপন হোসেন, আসমা খাতুন, মমতাজ বেগম, শিশু মেহনাজ, খালিদ হোসেন, সিয়াম হোসেন ও শামীমা খাতুন।
এলাকাবাসীর ধারণা, চুরির উদ্দেশ্যে কোনো অপরাধী চক্র বা মাদকাসক্ত কিশোর গ্যাং রাতে বা ভোরে বিষাক্ত স্প্রে ছড়িয়ে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে। কয়েক দিন আগে একই গ্রামে একইভাবে পরিবারের সদস্যদের অজ্ঞান করে দুটি মোটরসাইকেল ও একটি ইজিবাইক চুরির ঘটনা ঘটেছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, বিষাক্ত চেতনানাশক স্প্রেতে আক্রান্ত হয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের মধ্যে চারজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন