দীর্ঘদিন বিদেশে কাটিয়ে দেশে ফিরে নতুন জীবন শুরুর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়ির পাশেই দিয়েছিলেন ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। তবে ঋণের দেনা পিছু ছাড়েনি তার। অবশেষে বরিশালের গৌরনদীতে পুলিন তালুকদার (৫০) নামের ওই প্রবাস ফেরত চা-দোকানির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ইছাকুড়ি-বাকাই এলাকায় বাড়ির পাশের একটি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত পুলিন তালুকদার ওই গ্রামের মৃত উপেন্দ্রনাথ তালুকদারের ছেলে। তিনি তিন কন্যাসন্তানের জনক ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ আট বছর মরিশাসে ছিলেন পুলিন। বছরখানেক আগে দেশে ফিরে বাড়ির কাছে একটি চায়ের দোকান দিয়ে পরিবার নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি। তবে প্রবাসে থাকাকালেই বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয় ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, বিগত কয়েক দিন ধরে ঋণের কিস্তি ও পাওনা টাকার জন্য পাওনাদার ও এনজিওকর্মীদের পক্ষ থেকে তার ওপর কড়া চাপ দেওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ির পাশের বাগানে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। ঋণের চাপের বিষয়টি স্বজনেরা জানালেও ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘদিন বিদেশে কাটিয়ে দেশে ফিরে নতুন জীবন শুরুর চেষ্টা করেছিলেন। বাড়ির পাশেই দিয়েছিলেন ছোট্ট একটি চায়ের দোকান। তবে ঋণের দেনা পিছু ছাড়েনি তার। অবশেষে বরিশালের গৌরনদীতে পুলিন তালুকদার (৫০) নামের ওই প্রবাস ফেরত চা-দোকানির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে উপজেলার ইছাকুড়ি-বাকাই এলাকায় বাড়ির পাশের একটি বাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত পুলিন তালুকদার ওই গ্রামের মৃত উপেন্দ্রনাথ তালুকদারের ছেলে। তিনি তিন কন্যাসন্তানের জনক ছিলেন।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে দীর্ঘ আট বছর মরিশাসে ছিলেন পুলিন। বছরখানেক আগে দেশে ফিরে বাড়ির কাছে একটি চায়ের দোকান দিয়ে পরিবার নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিলেন তিনি। তবে প্রবাসে থাকাকালেই বিভিন্ন এনজিও ও স্থানীয় ব্যক্তির কাছ থেকে ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন।
পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, বিগত কয়েক দিন ধরে ঋণের কিস্তি ও পাওনা টাকার জন্য পাওনাদার ও এনজিওকর্মীদের পক্ষ থেকে তার ওপর কড়া চাপ দেওয়া হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার ভোরে বাড়ির পাশের বাগানে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিক হাসান রাসেল জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। ঋণের চাপের বিষয়টি স্বজনেরা জানালেও ময়নাতদন্ত ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

আপনার মতামত লিখুন