ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে ভারতকে হারিয়ে চলমান আসরে নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্যে শারজাহতে ভারতের দেওয়া স্বল্প পুঁজি সামলেই এই ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় দলটি।
রোববার (১১ অক্টোবর) টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ঝোড়ো সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম দুই ওভারেই রান দাঁড়ায় ৩০। ইমরুল কায়েস দ্রুত বিদায় নিলেও একপ্রান্তে তাণ্ডব চালান রনি তালুকদার; খেলেন ২৫ বলে ৪০ রানের ঝোড়ো ইনিংস। পরবর্তীতে নাসির হোসেনের ২১ বলে ২৪ এবং আরাফাত সানির ৩৮ বলে ৩৭ রানের কার্যকরী ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন পীযূষ চাওলা।
১৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশি বোলারদের তোপের মুখে পড়ে যুবরাজ সিঙের নেতৃত্বাধীন ভারত চ্যাম্পিয়ন্স। দলের অভিজ্ঞ ব্যাটাররা দ্রুত সাজঘরে ফিরলে মাত্র ৫৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। মাঝপথে ঋষি ধাওয়ানের ২৪ রান এবং শেষদিকে পবন নেগি ও পীযূষ চাওলার ব্যাটে ভারত ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও তা জয় পর্যন্ত পৌঁছাতে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে দুর্দান্ত বোলিং উপহার দেন স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র। চার উইকেট শিকার করে ভারতীয় মিডল অর্ডার ধসিয়ে দেন তিনি। অন্য প্রান্তে পেসার আবু জায়েদ রাহী কৃপণ বোলিংয়ে চাপ বজায় রাখেন। শেষ পর্যন্ত স্বল্প পুঁজি নিয়েও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ভারতকে চেপে ধরে রোমাঞ্চকর জয় ছিনিয়ে আনে বাংলাদেশ।

সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ অক্টোবর ২০২৬
ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ অব লিজেন্ডসে ভারতকে হারিয়ে চলমান আসরে নিজেদের প্রথম জয়ের দেখা পেল বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন্স। বোলারদের নিয়ন্ত্রিত নৈপুণ্যে শারজাহতে ভারতের দেওয়া স্বল্প পুঁজি সামলেই এই ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় দলটি।
রোববার (১১ অক্টোবর) টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ঝোড়ো সূচনা করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম দুই ওভারেই রান দাঁড়ায় ৩০। ইমরুল কায়েস দ্রুত বিদায় নিলেও একপ্রান্তে তাণ্ডব চালান রনি তালুকদার; খেলেন ২৫ বলে ৪০ রানের ঝোড়ো ইনিংস। পরবর্তীতে নাসির হোসেনের ২১ বলে ২৪ এবং আরাফাত সানির ৩৮ বলে ৩৭ রানের কার্যকরী ইনিংসে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৪১ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ভারতের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন পীযূষ চাওলা।
১৪২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বাংলাদেশি বোলারদের তোপের মুখে পড়ে যুবরাজ সিঙের নেতৃত্বাধীন ভারত চ্যাম্পিয়ন্স। দলের অভিজ্ঞ ব্যাটাররা দ্রুত সাজঘরে ফিরলে মাত্র ৫৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে তারা। মাঝপথে ঋষি ধাওয়ানের ২৪ রান এবং শেষদিকে পবন নেগি ও পীযূষ চাওলার ব্যাটে ভারত ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও তা জয় পর্যন্ত পৌঁছাতে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা।
বাংলাদেশি বোলারদের মধ্যে দুর্দান্ত বোলিং উপহার দেন স্পিনার এনামুল হক জুনিয়র। চার উইকেট শিকার করে ভারতীয় মিডল অর্ডার ধসিয়ে দেন তিনি। অন্য প্রান্তে পেসার আবু জায়েদ রাহী কৃপণ বোলিংয়ে চাপ বজায় রাখেন। শেষ পর্যন্ত স্বল্প পুঁজি নিয়েও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ভারতকে চেপে ধরে রোমাঞ্চকর জয় ছিনিয়ে আনে বাংলাদেশ।

আপনার মতামত লিখুন