যশোরের বেনাপোলে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক যুবককে পৃথক দুই ধারায় মোট ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক কাজী কামরুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তাফিজুর রহমান বেনাপোল পোর্ট থানার ৪ নম্বর ঘিবা গ্রামের আলী আহম্মেদ শেখের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি কারাগারে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানা-পুলিশ বোয়ালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনের পাকা রাস্তা থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে পরনের লুঙ্গির ভেতর থেকে একটি ৭ দশমিক ৬৫ বোরের পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর বেনাপোল পোর্ট থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সুজিত কুমার মৃধা বাদী হয়ে মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ৬ ডিসেম্বর উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ উদ্দীন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় ১০ বছর এবং ১৯(এফ) ধারায় ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সাজা ভোগের জন্য তিনি বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।

বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের বেনাপোলে অবৈধ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় মোস্তাফিজুর রহমান নামের এক যুবককে পৃথক দুই ধারায় মোট ১৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ এবং স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-৮-এর বিচারক কাজী কামরুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মোস্তাফিজুর রহমান বেনাপোল পোর্ট থানার ৪ নম্বর ঘিবা গ্রামের আলী আহম্মেদ শেখের ছেলে। রায় ঘোষণার সময় তিনি কারাগারে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২ নভেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বেনাপোল পোর্ট থানা-পুলিশ বোয়ালিয়া বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় বাজারের একটি চায়ের দোকানের সামনের পাকা রাস্তা থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে পরনের লুঙ্গির ভেতর থেকে একটি ৭ দশমিক ৬৫ বোরের পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।
ঘটনার পর বেনাপোল পোর্ট থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সুজিত কুমার মৃধা বাদী হয়ে মোস্তাফিজুরের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। মামলাটি তদন্ত শেষে একই বছরের ৬ ডিসেম্বর উপপরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ উদ্দীন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা শেষে আদালত অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় ১০ বছর এবং ১৯(এফ) ধারায় ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সাজা ভোগের জন্য তিনি বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন