সংবাদ

রামলীলা থেকে হুঙ্কার দিলেন মমতা


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৫০ পিএম

রামলীলা থেকে হুঙ্কার দিলেন মমতা
রামলীলা থেকে মমতার হুঙ্কার, ‘যুবসমাজ লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিক, বিজেপি-জ্ঞানেশ দু’জনেই যাবে’

দিল্লির রামলীলা ময়দান থেকে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে একযোগে তীব্র আক্রমণ শানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটাধিকার হরণ, গণতন্ত্র ধ্বংস এবং পশ্চিমবঙ্গে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হলেন তিনি। একইসঙ্গে দেশের যুবসমাজকে প্রতিবাদ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মমতা বলেন, “যুব প্রজন্ম, আপনারা লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিন, আমরা গাইড করব।”

রোববার দিল্লির রামলীলা ময়দানে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মেগা সমাবেশে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে প্রথমেই কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে ‘আমার নেত্রী’ বলে সম্বোধন করেন তিনি। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে নেতা এবং রাহুল গান্ধীকে ‘ইয়ং লিডার’ বলে প্রশংসা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পাশাপাশি বাম নেতৃত্ব-সহ বিরোধী জোটের অন্যান্য নেতাদেরও আন্দোলনে পাশে থাকার বার্তা দেন তিনি।

বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে মমতা বলেন, “বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন দেশের গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। বাংলায় লক্ষ লক্ষ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা হারিনি, আমাদের হারানো হয়েছে। ভোট লুট করেছে বিজেপি, দেশের গণতন্ত্রকে হরণ করেছে।”

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কটাক্ষ করে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলেও আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, মানুষের চাকরি, ভোটাধিকার এবং জীবন পর্যন্ত লুট করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট লুটের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “বিজেপি এবং জ্ঞানেশ কুমার দু’জনেই যাবে।”

মমতার দাবি, এসআইআর-এর মাধ্যমে শুধু ভোটাধিকার নয়, বাংলার মানুষের চাকরি, সম্মান এবং সাংবিধানিক অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এসআইআর-এর নতুন ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “স্পেশাল ইনটেনসিভ রিলিফ টু আ পলিটিক্যাল পার্টি লাইক বিজেপি।”

এদিন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একই গাড়িতে রামলীলা ময়দানে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে দলমত নির্বিশেষে সকলকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। বিচার বিভাগকেও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পড়ুয়া, মহিলা এবং জেন-জি-সহ দেশের যুবসমাজকে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা বলেন, “দেশ বাঁচাতে, গণতন্ত্র বাঁচাতে সকলকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে।” তাঁর কথায়, “আমরা হারিনি, হারানো হয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ০১ নভেম্বর ২০২৬


রামলীলা থেকে হুঙ্কার দিলেন মমতা

প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

দিল্লির রামলীলা ময়দান থেকে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে একযোগে তীব্র আক্রমণ শানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটাধিকার হরণ, গণতন্ত্র ধ্বংস এবং পশ্চিমবঙ্গে লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সরব হলেন তিনি। একইসঙ্গে দেশের যুবসমাজকে প্রতিবাদ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মমতা বলেন, “যুব প্রজন্ম, আপনারা লড়াইয়ের নেতৃত্ব দিন, আমরা গাইড করব।”

রোববার দিল্লির রামলীলা ময়দানে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মেগা সমাবেশে যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে বক্তব্য রাখতে উঠে প্রথমেই কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে ‘আমার নেত্রী’ বলে সম্বোধন করেন তিনি। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গেকে নেতা এবং রাহুল গান্ধীকে ‘ইয়ং লিডার’ বলে প্রশংসা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো। পাশাপাশি বাম নেতৃত্ব-সহ বিরোধী জোটের অন্যান্য নেতাদেরও আন্দোলনে পাশে থাকার বার্তা দেন তিনি।

বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে মমতা বলেন, “বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশন দেশের গণতন্ত্রকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করেছে। বাংলায় লক্ষ লক্ষ ভোটারকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। আমরা হারিনি, আমাদের হারানো হয়েছে। ভোট লুট করেছে বিজেপি, দেশের গণতন্ত্রকে হরণ করেছে।”

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কটাক্ষ করে ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলেও আক্রমণ করেন মমতা। তাঁর অভিযোগ, মানুষের চাকরি, ভোটাধিকার এবং জীবন পর্যন্ত লুট করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট লুটের অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “বিজেপি এবং জ্ঞানেশ কুমার দু’জনেই যাবে।”

মমতার দাবি, এসআইআর-এর মাধ্যমে শুধু ভোটাধিকার নয়, বাংলার মানুষের চাকরি, সম্মান এবং সাংবিধানিক অধিকারও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এসআইআর-এর নতুন ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “স্পেশাল ইনটেনসিভ রিলিফ টু আ পলিটিক্যাল পার্টি লাইক বিজেপি।”

এদিন রাহুল গান্ধীর সঙ্গে একই গাড়িতে রামলীলা ময়দানে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিরোধী নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে দলমত নির্বিশেষে সকলকে একসঙ্গে এগিয়ে আসতে হবে। বিচার বিভাগকেও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পড়ুয়া, মহিলা এবং জেন-জি-সহ দেশের যুবসমাজকে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার বার্তা দিয়ে মমতা বলেন, “দেশ বাঁচাতে, গণতন্ত্র বাঁচাতে সকলকে একসঙ্গে লড়াই করতে হবে।” তাঁর কথায়, “আমরা হারিনি, হারানো হয়েছে।”


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত