মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে তিন দিনের গুরুত্বপূর্ণ ইরান সফর শেষ করেছেন পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। শনিবার (১৮ এপ্রিল) পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। ইসলামাবাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।
সফরকালে ফিল্ড
মার্শাল আসিম মুনির তেহরানে ইরানের শীর্ষ নেতা এবং দেশটির শান্তি আলোচনার
প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা,
চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং
স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
পাকিস্তানের সামরিক
বাহিনীর ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,
এই সফর আলোচনার মাধ্যমে একটি
অর্থবহ সমঝোতায় পৌঁছাতে পাকিস্তানের অবিচল সংকল্পের প্রতিফলন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি,
স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে
আনতে ইসলামাবাদ যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে, সেনাপ্রধানের এই সফর তাকে আরও বেগবান করবে।
উল্লেখ্য,
আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল)
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
শান্তি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে আসিম মুনিরের এই তেহরান
সফর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। ধারণা করা হচ্ছে,
সোমবারের বৈঠকের রূপরেখা
চূড়ান্ত করতেই তিনি ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এই আলোচনা সম্পন্ন করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও
ইরানের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান বর্তমানে অন্যতম প্রধান
মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে দুই পক্ষকে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে
রাজি করাতে সফল হয়েছে ইসলামাবাদ। এখন স্থায়ী একটি শান্তি চুক্তির পথে দুই দেশকে
এগিয়ে নেওয়াই পাকিস্তানের মূল লক্ষ্য।

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে তিন দিনের গুরুত্বপূর্ণ ইরান সফর শেষ করেছেন পাকিস্তানের প্রভাবশালী সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। শনিবার (১৮ এপ্রিল) পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এই সফরের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। ইসলামাবাদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবর নিশ্চিত করেছে।
সফরকালে ফিল্ড
মার্শাল আসিম মুনির তেহরানে ইরানের শীর্ষ নেতা এবং দেশটির শান্তি আলোচনার
প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে আঞ্চলিক নিরাপত্তা,
চলমান উত্তেজনা নিরসন এবং
স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
পাকিস্তানের সামরিক
বাহিনীর ইন্টার-সার্ভিস পাবলিক রিলেশন্স (আইএসপিআর) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে,
এই সফর আলোচনার মাধ্যমে একটি
অর্থবহ সমঝোতায় পৌঁছাতে পাকিস্তানের অবিচল সংকল্পের প্রতিফলন। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি,
স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে
আনতে ইসলামাবাদ যে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে, সেনাপ্রধানের এই সফর তাকে আরও বেগবান করবে।
উল্লেখ্য,
আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল)
পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
শান্তি বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেই আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে আসিম মুনিরের এই তেহরান
সফর আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। ধারণা করা হচ্ছে,
সোমবারের বৈঠকের রূপরেখা
চূড়ান্ত করতেই তিনি ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে এই আলোচনা সম্পন্ন করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্র ও
ইরানের মধ্যে চলমান চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান বর্তমানে অন্যতম প্রধান
মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে দুই পক্ষকে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে
রাজি করাতে সফল হয়েছে ইসলামাবাদ। এখন স্থায়ী একটি শান্তি চুক্তির পথে দুই দেশকে
এগিয়ে নেওয়াই পাকিস্তানের মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন