চলতি মাসে আবারও বাড়ানো হলো এলপি গ্যাসের দাম।
এপ্রিল মাসের শুরুতে এক দফা বৃদ্ধির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয়বারের মতো বাড়ানো হলো বেসরকারি খাতের এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) মূল্য।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রান্নায় বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। আগে এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৭২৮ টাকা।
রবিবার এই মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন দাম রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এপ্রিলের শুরুতেই (২ এপ্রিল) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন ১ হাজার ৩৪১ টাকা থেকে বেড়ে দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৭২৮ টাকা।
সব মিলিয়ে মার্চ মাসের তুলনায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে মোট ৫৯৯ টাকা যা সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধির।
এপ্রিলের শুরুতেই প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। তার পরপরই আবারও প্রতি কেজিতে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
একই অনুপাতে বিভিন্ন ওজনের সিলিন্ডারের দামও সমন্বয় করা হয়েছে।
রান্না এলপি গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহার করেন এমন পরিবারের অনেকেই বলছেন, রান্নার এলপি গ্যাসের বিলই মাসিক খরচের বড় অংশ দখল করে নিচ্ছে। বিশেষ করে যাদের বিকল্প কোনো জ্বালানি নেই, তাদের জন্য এই বাড়তি ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতাকেই প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে বিইআরসি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে এলপিজি পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে।
এতে স্বাভাবিক রুটের বদলে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার ফলে বেড়েছে সময় ও খরচ—দুটিই। পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বীমা ও নিরাপত্তা খরচও বেড়েছে। এসব মিলিয়ে প্রতি মেট্রিক টনে পরিবহন ও ট্রেডার প্রিমিয়াম বাড়িয়ে ২৫০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দামও ঊর্ধ্বমুখী, যা সরাসরি দেশীয় বাজারে প্রভাব ফেলছে।
যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস প্রতি লিটার ৮৯.৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বেসরকারি খাতে দাম বাড়লেও সরকারি এলপিজির মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ডিলার পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম রয়েছে ৭৯৬ টাকা ৫০ পয়সা। তবে এর সরবরাহ সীমিত হওয়ায় অধিকাংশ ভোক্তাকে বেসরকারি বাজারের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।
বিইআরসি জানিয়েছে, নির্ধারিত দামের বেশি কোনো পর্যায়ে এলপিজি বিক্রি করা যাবে না। বোতলজাতকরণ কেন্দ্র থেকে শুরু করে খুচরা বিক্রেতা সবাইকে এই নির্দেশনা মানতে হবে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
চলতি মাসে আবারও বাড়ানো হলো এলপি গ্যাসের দাম।
এপ্রিল মাসের শুরুতে এক দফা বৃদ্ধির ধাক্কা কাটতে না কাটতেই দ্বিতীয়বারের মতো বাড়ানো হলো বেসরকারি খাতের এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) মূল্য।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রান্নায় বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৯৪০ টাকা। আগে এই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৭২৮ টাকা।
রবিবার এই মূল্য সমন্বয়ের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।
সংস্থাটি জানিয়েছে, নতুন দাম রোববার (১৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে।
এপ্রিলের শুরুতেই (২ এপ্রিল) ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম এক লাফে ৩৮৭ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। তখন ১ হাজার ৩৪১ টাকা থেকে বেড়ে দাম দাঁড়ায় ১ হাজার ৭২৮ টাকা।
সব মিলিয়ে মার্চ মাসের তুলনায় ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে মোট ৫৯৯ টাকা যা সাম্প্রতিক সময়ে সবচেয়ে বড় মূল্যবৃদ্ধির।
এপ্রিলের শুরুতেই প্রতি কেজি এলপিজির দাম ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। তার পরপরই আবারও প্রতি কেজিতে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা বৃদ্ধি করা হয়েছে।
একই অনুপাতে বিভিন্ন ওজনের সিলিন্ডারের দামও সমন্বয় করা হয়েছে।
রান্না এলপি গ্যাস (এলপিজি) ব্যবহার করেন এমন পরিবারের অনেকেই বলছেন, রান্নার এলপি গ্যাসের বিলই মাসিক খরচের বড় অংশ দখল করে নিচ্ছে। বিশেষ করে যাদের বিকল্প কোনো জ্বালানি নেই, তাদের জন্য এই বাড়তি ব্যয় সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে।
দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতাকেই প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরেছে বিইআরসি। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালী ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে এলপিজি পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে।
এতে স্বাভাবিক রুটের বদলে বিকল্প পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে, যার ফলে বেড়েছে সময় ও খরচ—দুটিই। পাশাপাশি যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বীমা ও নিরাপত্তা খরচও বেড়েছে। এসব মিলিয়ে প্রতি মেট্রিক টনে পরিবহন ও ট্রেডার প্রিমিয়াম বাড়িয়ে ২৫০ মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দামও ঊর্ধ্বমুখী, যা সরাসরি দেশীয় বাজারে প্রভাব ফেলছে।
যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাস প্রতি লিটার ৮৯.৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বেসরকারি খাতে দাম বাড়লেও সরকারি এলপিজির মূল্য অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ডিলার পর্যায়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম রয়েছে ৭৯৬ টাকা ৫০ পয়সা। তবে এর সরবরাহ সীমিত হওয়ায় অধিকাংশ ভোক্তাকে বেসরকারি বাজারের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে।
বিইআরসি জানিয়েছে, নির্ধারিত দামের বেশি কোনো পর্যায়ে এলপিজি বিক্রি করা যাবে না। বোতলজাতকরণ কেন্দ্র থেকে শুরু করে খুচরা বিক্রেতা সবাইকে এই নির্দেশনা মানতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন