অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় পরিবর্তন করা পুলিশের নতুন ইউনিফর্ম নিয়ে বাহিনীটির ভেতরে তীব্র অসন্তোষের মুখে আবারও পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের বিরূপ মনোভাব এবং জনমতকে প্রাধান্য দিয়ে ‘পুলিশ ড্রেস রুলস-২০২৫’ সংশোধনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিকস শাখা থেকে পাঠানো প্রস্তাবনায়
বিভিন্ন ইউনিটের জন্য নির্দিষ্ট রঙের সুপারিশ করা হয়েছে:
তবে বিশেষায়িত ইউনিট যেমন এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি এবং র্যাব
এই পরিবর্তনের আওতার বাইরে থাকবে।
গত ১৫ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে পুলিশ
সদর দপ্তর উল্লেখ করেছে, বর্তমান ‘লৌহ’ রঙের শার্ট এবং ‘কফি’ রঙের প্যান্ট প্রবর্তনের
পর থেকেই মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দেয়। চিঠিতে বলা হয়:
"নতুন এই ইউনিফর্ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল
বা ব্যঙ্গের শিকার হওয়ায় পুলিশ সদস্যরা পেশাগতভাবে হীনম্মন্যতায় ভুগছিলেন।"
এ ছাড়া বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বর্তমান
পোশাকের সাথে অন্য কিছু সংস্থার ইউনিফর্মের মিল থাকায় সাধারণ মানুষের পক্ষে পুলিশকে
আলাদাভাবে চেনা কঠিন হয়ে পড়ছিল। তাদের মতে, ২০০৩-২০০৪ সালে প্রবর্তিত খাকি ও নীল রঙের
পোশাকটিই দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।
পোশাক পরিবর্তন হলেও এতে সরকারের ওপর কোনো অতিরিক্ত আর্থিক
চাপ পড়বে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিক বিভাগের ডিআইজি সারোয়ার মুর্শেদ
শামীম। তিনি জানান, পুলিশ সদস্যদের বাৎসরিক প্রাপ্যতার ভিত্তিতেই নিয়মিত ইউনিফর্ম সরবরাহ
করা হয়। প্রজ্ঞাপন জারি হলে পরবর্তী বিতরণের সময় নতুন রঙের পোশাক দেওয়া হবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান স্বাক্ষরিত
ওই চিঠিতে ‘পুলিশ ড্রেস রুলস-২০২৫’-এর সংশ্লিষ্ট বিধিগুলো দ্রুত সংশোধনের অনুরোধ জানানো
হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হলেই মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের
গায়ে নতুন রঙের এই ইউনিফর্ম দেখা যাবে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় পরিবর্তন করা পুলিশের নতুন ইউনিফর্ম নিয়ে বাহিনীটির ভেতরে তীব্র অসন্তোষের মুখে আবারও পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের বিরূপ মনোভাব এবং জনমতকে প্রাধান্য দিয়ে ‘পুলিশ ড্রেস রুলস-২০২৫’ সংশোধনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠিয়েছে পুলিশ সদর দপ্তর।
পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিকস শাখা থেকে পাঠানো প্রস্তাবনায়
বিভিন্ন ইউনিটের জন্য নির্দিষ্ট রঙের সুপারিশ করা হয়েছে:
তবে বিশেষায়িত ইউনিট যেমন এপিবিএন, এসপিবিএন, এসবি, সিআইডি এবং র্যাব
এই পরিবর্তনের আওতার বাইরে থাকবে।
গত ১৫ এপ্রিল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো চিঠিতে পুলিশ
সদর দপ্তর উল্লেখ করেছে, বর্তমান ‘লৌহ’ রঙের শার্ট এবং ‘কফি’ রঙের প্যান্ট প্রবর্তনের
পর থেকেই মাঠ পর্যায়ের সদস্যদের মধ্যে অস্বস্তি দেখা দেয়। চিঠিতে বলা হয়:
"নতুন এই ইউনিফর্ম নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল
বা ব্যঙ্গের শিকার হওয়ায় পুলিশ সদস্যরা পেশাগতভাবে হীনম্মন্যতায় ভুগছিলেন।"
এ ছাড়া বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জানিয়েছে, বর্তমান
পোশাকের সাথে অন্য কিছু সংস্থার ইউনিফর্মের মিল থাকায় সাধারণ মানুষের পক্ষে পুলিশকে
আলাদাভাবে চেনা কঠিন হয়ে পড়ছিল। তাদের মতে, ২০০৩-২০০৪ সালে প্রবর্তিত খাকি ও নীল রঙের
পোশাকটিই দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল।
পোশাক পরিবর্তন হলেও এতে সরকারের ওপর কোনো অতিরিক্ত আর্থিক
চাপ পড়বে না বলে জানিয়েছেন পুলিশ সদর দপ্তরের লজিস্টিক বিভাগের ডিআইজি সারোয়ার মুর্শেদ
শামীম। তিনি জানান, পুলিশ সদস্যদের বাৎসরিক প্রাপ্যতার ভিত্তিতেই নিয়মিত ইউনিফর্ম সরবরাহ
করা হয়। প্রজ্ঞাপন জারি হলে পরবর্তী বিতরণের সময় নতুন রঙের পোশাক দেওয়া হবে।
পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সারোয়ার জাহান স্বাক্ষরিত
ওই চিঠিতে ‘পুলিশ ড্রেস রুলস-২০২৫’-এর সংশ্লিষ্ট বিধিগুলো দ্রুত সংশোধনের অনুরোধ জানানো
হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি হলেই মাঠ পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের
গায়ে নতুন রঙের এই ইউনিফর্ম দেখা যাবে।

আপনার মতামত লিখুন