একসময়ের গহীন অরণ্য আর বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য এখন ধূ ধূ ধ্বংসস্তূপ। বান্দরবানের আলীকদমে তৈন রেঞ্জের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নির্বিচারে বন উজাড় ও পাহাড় কাটার ফলে বিপন্ন হয়ে পড়েছে পরিবেশ। বিশেষ করে মাংগু মৌজার ‘ব্যাঙ ঝিড়ি’ এলাকায় প্রায় ২০০ একর বনভূমি এখন বৃক্ষশূন্য। বনখেকো চক্রের এই তান্ডবে পানির উৎস শুকিয়ে যাওয়ায় হাহাকার শুরু হয়েছে সাত-আটটি ম্রো পাড়ায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, আলীকদম-থানচি সড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা পথ হাঁটলে চোখে পড়ে এই ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাংগু মৌজার পামিয়া ম্রো পাড়া, তন্তুই পাড়া, নামচাক পাড়া ও আদুই পাড়াসহ আশপাশের বিশাল এলাকার শতবর্ষী মাতৃগাছগুলো কেটে সাবাড় করা হয়েছে। পাহাড় কেটে তৈরি করা হয়েছে ট্রাক চলাচলের রাস্তা। ঝিড়ির পানিপ্রবাহ বন্ধ করে সেই রাস্তা দিয়ে দিনরাত পাচার হচ্ছে বিশালাকৃতির গাছের গুঁড়ি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আলীকদম পান বাজারের বাসিন্দা মো. ইসমাইল ওরফে ‘লাল ইসমাইল’ এই বন নিধন সিন্ডিকেটের মূল হোতা। তার সঙ্গে রয়েছেন লংলেইন ম্রো নামের একজন সহযোগী। অভিযোগ রয়েছে, বনের কিছু গাছ ‘জোত পারমিট’-এর দোহাই দিয়ে বৈধতার আড়ালে পাচার করা হচ্ছে, আর বাকি গাছ স্থানীয় অবৈধ ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
একসময়ের গহীন অরণ্য আর বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য এখন ধূ ধূ ধ্বংসস্তূপ। বান্দরবানের আলীকদমে তৈন রেঞ্জের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় নির্বিচারে বন উজাড় ও পাহাড় কাটার ফলে বিপন্ন হয়ে পড়েছে পরিবেশ। বিশেষ করে মাংগু মৌজার ‘ব্যাঙ ঝিড়ি’ এলাকায় প্রায় ২০০ একর বনভূমি এখন বৃক্ষশূন্য। বনখেকো চক্রের এই তান্ডবে পানির উৎস শুকিয়ে যাওয়ায় হাহাকার শুরু হয়েছে সাত-আটটি ম্রো পাড়ায়।
সরেজমিনে দেখা যায়, আলীকদম-থানচি সড়কের ২৩ কিলোমিটার এলাকা থেকে প্রায় এক ঘণ্টা পথ হাঁটলে চোখে পড়ে এই ধ্বংসযজ্ঞের চিত্র। ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাংগু মৌজার পামিয়া ম্রো পাড়া, তন্তুই পাড়া, নামচাক পাড়া ও আদুই পাড়াসহ আশপাশের বিশাল এলাকার শতবর্ষী মাতৃগাছগুলো কেটে সাবাড় করা হয়েছে। পাহাড় কেটে তৈরি করা হয়েছে ট্রাক চলাচলের রাস্তা। ঝিড়ির পানিপ্রবাহ বন্ধ করে সেই রাস্তা দিয়ে দিনরাত পাচার হচ্ছে বিশালাকৃতির গাছের গুঁড়ি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আলীকদম পান বাজারের বাসিন্দা মো. ইসমাইল ওরফে ‘লাল ইসমাইল’ এই বন নিধন সিন্ডিকেটের মূল হোতা। তার সঙ্গে রয়েছেন লংলেইন ম্রো নামের একজন সহযোগী। অভিযোগ রয়েছে, বনের কিছু গাছ ‘জোত পারমিট’-এর দোহাই দিয়ে বৈধতার আড়ালে পাচার করা হচ্ছে, আর বাকি গাছ স্থানীয় অবৈধ ইটভাটায় জ্বালানি হিসেবে সরবরাহ করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন