অবশেষে কোলের শিশুকে নিয়ে কারামুক্ত হলেন সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক ও সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর দেড় মাসের দুগ্ধপোষ্য সন্তানসহ তাকে কারাগারে যেতে হয়েছিল। জামিনের আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান মা ও শিশু।
শিল্পী
বেগমের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে তার আইনজীবী
ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, "আদালত
সব দিক বিবেচনা করে
অবশেষে জামিন মঞ্জুর করেছেন। আমরা শুরু থেকেই
নবজাতক শিশুর বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার আবেদন
জানিয়ে আসছিলাম।"
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান মানবিক বিবেচনায় ৫ হাজার টাকা
মুচলেকায় পুলিশ রিপোর্ট না দেওয়া পর্যন্ত
তার জামিন মঞ্জুর করেন। তবে প্রয়োজনীয় নথিপত্রে
বিচারকের সই সম্পন্ন হতে
বিলম্ব হওয়ায় মঙ্গলবার রাতে তাদের কারাগারেই
থাকতে হয়েছিল। বুধবার সকালে সেই কাগজপত্রের কাজ
শেষ হলে দ্রুত তা
কারাগারে পৌঁছানো হয় এবং তারা
কারামুক্ত হন।
মামলার
নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৫
জানুয়ারি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে শিল্পী বেগমের
বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের
করা হয়। এজাহারে উল্লেখ
করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই
মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকায় এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
হওয়ার ঘটনার জেরে পরবর্তীতে বাদীর
বাসায় হামলা ও ভাঙচুর চালানো
হয়। ঐ হামলায় শিল্পী
বেগমের নির্দেশে একদল লোক দেশীয়
অস্ত্র ও বোমা নিয়ে
হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র লুটপাট ও প্রায় ৮
লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে বলে অভিযোগ
আনা হয়। হামলায় বাদীর
স্বামী গুরুতর আহত হন এবং
পুরো এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করা হয়।
তদন্ত
কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, প্রাথমিক
তদন্তে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলায় ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায়
শিল্পী বেগমকে তার বাসা থেকে
গ্রেফতার করা হয়। পরদিন
আদালতে হাজির করা হলে বিচারক
তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দেড় মাসের
শিশুকে সঙ্গে নিয়ে শিল্পী বেগমের
কারাগারে যাওয়ার খবরটি তখন ব্যাপক আলোচনার
জন্ম দিয়েছিল।
তদন্ত
কর্মকর্তা আদালতকে জানিয়েছিলেন, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া
পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা
প্রয়োজন। তবে শেষ পর্যন্ত
মানবিক বিবেচনায় আদালত তার জামিন মঞ্জুর
করলে দেড় মাসের শিশুটি
কারাগারের পরিবেশ থেকে মুক্তি পায়।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
অবশেষে কোলের শিশুকে নিয়ে কারামুক্ত হলেন সেই যুব মহিলা লীগ নেত্রী শিল্পী বেগম। রাজধানীর তেজগাঁও থানায় দায়ের করা বিস্ফোরক ও সহিংসতার মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর দেড় মাসের দুগ্ধপোষ্য সন্তানসহ তাকে কারাগারে যেতে হয়েছিল। জামিনের আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে বুধবার কাশিমপুর মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান মা ও শিশু।
শিল্পী
বেগমের জামিনের বিষয়টি নিশ্চিত করে তার আইনজীবী
ফারজানা ইয়াসমিন রাখি বলেন, "আদালত
সব দিক বিবেচনা করে
অবশেষে জামিন মঞ্জুর করেছেন। আমরা শুরু থেকেই
নবজাতক শিশুর বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার আবেদন
জানিয়ে আসছিলাম।"
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায়
ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট
মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান মানবিক বিবেচনায় ৫ হাজার টাকা
মুচলেকায় পুলিশ রিপোর্ট না দেওয়া পর্যন্ত
তার জামিন মঞ্জুর করেন। তবে প্রয়োজনীয় নথিপত্রে
বিচারকের সই সম্পন্ন হতে
বিলম্ব হওয়ায় মঙ্গলবার রাতে তাদের কারাগারেই
থাকতে হয়েছিল। বুধবার সকালে সেই কাগজপত্রের কাজ
শেষ হলে দ্রুত তা
কারাগারে পৌঁছানো হয় এবং তারা
কারামুক্ত হন।
মামলার
নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৫
জানুয়ারি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে শিল্পী বেগমের
বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের
করা হয়। এজাহারে উল্লেখ
করা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই
মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর চাঁনখারপুল এলাকায় এক শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ
হওয়ার ঘটনার জেরে পরবর্তীতে বাদীর
বাসায় হামলা ও ভাঙচুর চালানো
হয়। ঐ হামলায় শিল্পী
বেগমের নির্দেশে একদল লোক দেশীয়
অস্ত্র ও বোমা নিয়ে
হামলা চালিয়ে আসবাবপত্র লুটপাট ও প্রায় ৮
লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে বলে অভিযোগ
আনা হয়। হামলায় বাদীর
স্বামী গুরুতর আহত হন এবং
পুরো এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি করা হয়।
তদন্ত
কর্মকর্তার দাবি অনুযায়ী, প্রাথমিক
তদন্তে ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মেলায় ২০ এপ্রিল সন্ধ্যায়
শিল্পী বেগমকে তার বাসা থেকে
গ্রেফতার করা হয়। পরদিন
আদালতে হাজির করা হলে বিচারক
তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। দেড় মাসের
শিশুকে সঙ্গে নিয়ে শিল্পী বেগমের
কারাগারে যাওয়ার খবরটি তখন ব্যাপক আলোচনার
জন্ম দিয়েছিল।
তদন্ত
কর্মকর্তা আদালতকে জানিয়েছিলেন, মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া
পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা
প্রয়োজন। তবে শেষ পর্যন্ত
মানবিক বিবেচনায় আদালত তার জামিন মঞ্জুর
করলে দেড় মাসের শিশুটি
কারাগারের পরিবেশ থেকে মুক্তি পায়।

আপনার মতামত লিখুন