ইরানের বিরুদ্ধে জারিকৃত নৌ অবরোধ আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অবরোধের অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত ৩১টি জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তন করতে অথবা বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে মার্কিন বাহিনী। এসব নৌযানের বড় একটি অংশই জ্বালানি তেলের ট্যাংকার বলে জানা গেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সেন্টকম জানায়, তাদের নির্দেশ পাওয়ার পর বেশিরভাগ জাহাজই নির্দেশনা মেনে নিরাপদ দূরত্বে সরে গেছে।
ইরানের বন্দরগুলোকে বিশ্ববাজার থেকে বিচ্ছিন্ন করতে বড় ধরনের সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই নৌ অবরোধ অভিযানে অংশ নিচ্ছে:
১০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা।
১৭টি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ।
শতাধিক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তেহরান বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট 'হরমুজ প্রণালি' কার্যত বন্ধ করে দেয়। এর পরপরই পাল্টা জবাবে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলছে, অন্যদিকে নিজেরাই নৌ অবরোধ আরোপ করে সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে। মার্কিন এই পদক্ষেপকে তিনি জলপথ সচল করার পথে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের বিরুদ্ধে জারিকৃত নৌ অবরোধ আরও জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। অবরোধের অংশ হিসেবে এ পর্যন্ত ৩১টি জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তন করতে অথবা বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে মার্কিন বাহিনী। এসব নৌযানের বড় একটি অংশই জ্বালানি তেলের ট্যাংকার বলে জানা গেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিবৃতির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সেন্টকম জানায়, তাদের নির্দেশ পাওয়ার পর বেশিরভাগ জাহাজই নির্দেশনা মেনে নিরাপদ দূরত্বে সরে গেছে।
ইরানের বন্দরগুলোকে বিশ্ববাজার থেকে বিচ্ছিন্ন করতে বড় ধরনের সামরিক শক্তি মোতায়েন করেছে ওয়াশিংটন। সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই নৌ অবরোধ অভিযানে অংশ নিচ্ছে:
১০ হাজারেরও বেশি মার্কিন সেনা।
১৭টি শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ।
শতাধিক অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তেহরান বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট 'হরমুজ প্রণালি' কার্যত বন্ধ করে দেয়। এর পরপরই পাল্টা জবাবে ইরানের ওপর নৌ অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।
এই পরিস্থিতিতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র একদিকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার কথা বলছে, অন্যদিকে নিজেরাই নৌ অবরোধ আরোপ করে সংকটকে আরও জটিল করে তুলছে। মার্কিন এই পদক্ষেপকে তিনি জলপথ সচল করার পথে প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন।

আপনার মতামত লিখুন