সংসদ সদস্যদের (এমপি) শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার-১৯৭৩ সংশোধন বিল’ পাস হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় এ সংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয়নি। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনের সংশোধনীর বিষয়টি অনুমোদন করা হয়। এখন রাষ্ট্রপতি বিলে স্বাক্ষর করলে এটি আইনে পরিণত হবে।
বিলে পাসের মাধ্যমে আইনের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধাসংক্রান্ত ধারা (৩সি) বিলুপ্ত করা হয়েছে। এ ধারায় বলা ছিল, একজন সংসদ সদস্য তার পুরো মেয়াদকালে শুল্কমুক্তভাবে, উন্নয়ন সারচার্জ এবং আমদানি পারমিট ফি ছাড়া সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিবরণ ও শর্ত অনুযায়ী একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করার অধিকারী হবেন।
এতে আরও বলা ছিল, একজন সংসদ সদস্য সর্বশেষ আমদানির তারিখ থেকে পাঁচ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর আরেকটি নতুন গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করার অধিকারী হবেন।
ত্রয়োদশ সংসদের সরকারি দল ও বিরোধী দল আগেই বলেছিল, তারা কেউ শুল্কমুক্ত গাড়িসুবিধা নেবেন না। সে অনুযায়ী আইনে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। অবশ্য সংসদ সদস্যরা সরকারি গাড়িসুবিধার দাবি তুলেছেন। সরকারও বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
বিশেষ কমিটি
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে সুপারিশ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে জাতীয় সংসদ। বৃহস্পতিবার বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সেদিন তিনি সরকারি দলের পাঁচজনের নাম প্রস্তাব করেন। পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও পাঁচজনের নাম প্রস্তাব করেন।
সে অনুযায়ী রবিবার সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। পরে প্রস্তাবটি সংসদে পাস হয়। এই কমিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ দিন।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, সরকারি দলের সদস্য মঈনুল ইসলাম খান। কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যরা হলেন সাইফুল আলম খান মিলন, নুরুল ইসলাম, মো. আবদুল বাতেন, আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) ও মোহাম্মদ আবুল হাসান।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
সংসদ সদস্যদের (এমপি) শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা বাতিল করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত ‘দ্য মেম্বারস অব পার্লামেন্ট (রেমুনারেশন অ্যান্ড অ্যালাউন্সেস) অর্ডার-১৯৭৩ সংশোধন বিল’ পাস হয়।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। বিলটির ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় এ সংক্রান্ত কোনো আলোচনা হয়নি। গত বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই আইনের সংশোধনীর বিষয়টি অনুমোদন করা হয়। এখন রাষ্ট্রপতি বিলে স্বাক্ষর করলে এটি আইনে পরিণত হবে।
বিলে পাসের মাধ্যমে আইনের শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধাসংক্রান্ত ধারা (৩সি) বিলুপ্ত করা হয়েছে। এ ধারায় বলা ছিল, একজন সংসদ সদস্য তার পুরো মেয়াদকালে শুল্কমুক্তভাবে, উন্নয়ন সারচার্জ এবং আমদানি পারমিট ফি ছাড়া সরকার কর্তৃক নির্ধারিত বিবরণ ও শর্ত অনুযায়ী একটি গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করার অধিকারী হবেন।
এতে আরও বলা ছিল, একজন সংসদ সদস্য সর্বশেষ আমদানির তারিখ থেকে পাঁচ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর আরেকটি নতুন গাড়ি, জিপ বা মাইক্রোবাস আমদানি করার অধিকারী হবেন।
ত্রয়োদশ সংসদের সরকারি দল ও বিরোধী দল আগেই বলেছিল, তারা কেউ শুল্কমুক্ত গাড়িসুবিধা নেবেন না। সে অনুযায়ী আইনে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। অবশ্য সংসদ সদস্যরা সরকারি গাড়িসুবিধার দাবি তুলেছেন। সরকারও বিষয়টি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে।
বিশেষ কমিটি
বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে সুপারিশ দিতে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ কমিটি গঠন করেছে জাতীয় সংসদ। বৃহস্পতিবার বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করার কথা জানান প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান। সেদিন তিনি সরকারি দলের পাঁচজনের নাম প্রস্তাব করেন। পরে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও পাঁচজনের নাম প্রস্তাব করেন।
সে অনুযায়ী রবিবার সংসদে বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। পরে প্রস্তাবটি সংসদে পাস হয়। এই কমিটির মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ দিন।
কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, একই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন, হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, সরকারি দলের সদস্য মঈনুল ইসলাম খান। কমিটিতে বিরোধী দলের সদস্যরা হলেন সাইফুল আলম খান মিলন, নুরুল ইসলাম, মো. আবদুল বাতেন, আবুল হাসনাত (হাসনাত আবদুল্লাহ) ও মোহাম্মদ আবুল হাসান।

আপনার মতামত লিখুন