সংবাদ

বাণিজ্য চুক্তিতে কোনো গোপনীয়তা নেই: মার্কিন রাষ্ট্রদূত


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৩৬ পিএম

বাণিজ্য চুক্তিতে কোনো গোপনীয়তা নেই: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিতে কোনো ধরনের লুকোছাপা বা গোপনীয়তা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তিনি এই চুক্তিকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ বা মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীতে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচেম) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক অনেকখানি কমে আসবে। আগে যেখানে শুল্কের হার ছিল ৩৫ শতাংশ, তা এখন ১৯ শতাংশে নেমে আসবে। এই বিশাল শুল্ক ছাড়ের সুবিধা নিতে দ্রুত চুক্তিটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আইন পাসের আহ্বান জানান তিনি।

  • কৃষিপণ্য: বাংলাদেশ বছরে প্রায় সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য (গম, সয়াবিন, তুলা ও ভুট্টা) আমদানি করবে।
  • জ্বালানি: আগামী ১৫ বছরে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানির একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশে ব্যবসা করার চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, এখানকার জটিল লাইসেন্সিং পদ্ধতি, অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া এবং অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতি বড় বিনিয়োগের পথে প্রধান বাধা। তিনি ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থা চালু করা, স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং শ্রম ও পরিবেশগত মানদণ্ড জোরদার করার মাধ্যমে ব্যবসার পরিবেশ সংস্কারের তাগিদ দেন।

একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি উন্নত মানের বাংলাদেশি ওষুধের জন্য মার্কিন বাজার আরও সহজ ও উন্মুক্ত করার জন্য রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬


বাণিজ্য চুক্তিতে কোনো গোপনীয়তা নেই: মার্কিন রাষ্ট্রদূত

প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তিতে কোনো ধরনের লুকোছাপা বা গোপনীয়তা নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। তিনি এই চুক্তিকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘গেম চেঞ্জার’ বা মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করেছেন।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাজধানীতে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচেম) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক অনেকখানি কমে আসবে। আগে যেখানে শুল্কের হার ছিল ৩৫ শতাংশ, তা এখন ১৯ শতাংশে নেমে আসবে। এই বিশাল শুল্ক ছাড়ের সুবিধা নিতে দ্রুত চুক্তিটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আইন পাসের আহ্বান জানান তিনি।

  • কৃষিপণ্য: বাংলাদেশ বছরে প্রায় সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য (গম, সয়াবিন, তুলা ও ভুট্টা) আমদানি করবে।
  • জ্বালানি: আগামী ১৫ বছরে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানির একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা এই চুক্তির অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

বাংলাদেশে ব্যবসা করার চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, এখানকার জটিল লাইসেন্সিং পদ্ধতি, অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া এবং অনানুষ্ঠানিক পদ্ধতি বড় বিনিয়োগের পথে প্রধান বাধা। তিনি ডিজিটাল কাস্টমস ব্যবস্থা চালু করা, স্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং শ্রম ও পরিবেশগত মানদণ্ড জোরদার করার মাধ্যমে ব্যবসার পরিবেশ সংস্কারের তাগিদ দেন।

একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাংলাদেশের ওষুধ শিল্পের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। তিনি উন্নত মানের বাংলাদেশি ওষুধের জন্য মার্কিন বাজার আরও সহজ ও উন্মুক্ত করার জন্য রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত