সংবাদ

ইউনিক গ্রুপের কর্ণধারের বিরুদ্ধে মামলার পর চলছে তদন্ত


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ১০ মে ২০২৬, ০৬:৩৫ পিএম

ইউনিক গ্রুপের কর্ণধারের বিরুদ্ধে মামলার পর চলছে তদন্ত
ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার নূর আলী ও তার প্রতিষ্ঠান।

রাজধানীর বনানীর ডিএনসিসি নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার নূর আলী ও তার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযুক্তরা ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা মানিলন্ডারিং করেছে বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। বনানী থানায় গত ৭ মে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর ৪(২)/৪(৪) ধারায় মামলাটি রুজু করেছে সিআইডি।

শনিবার (৯ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বনানী এলাকায় ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও অভিযুক্ত নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে এবং ডিএনসিসিকে প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে যে, ভবন নির্মাণের জন্য রাজউক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। এতে ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় বিমান ওড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করে এবং তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বর্তমানে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করছে। বেদখলকৃত সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের পর লন্ডারকৃত অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

রোববার, ১০ মে ২০২৬


ইউনিক গ্রুপের কর্ণধারের বিরুদ্ধে মামলার পর চলছে তদন্ত

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বনানীর ডিএনসিসি নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে ইউনিক গ্রুপের কর্ণধার নূর আলী ও তার নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

প্রাথমিক অনুসন্ধানে অভিযুক্তরা ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকা মানিলন্ডারিং করেছে বলে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। বনানী থানায় গত ৭ মে এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২-এর ৪(২)/৪(৪) ধারায় মামলাটি রুজু করেছে সিআইডি।

শনিবার (৯ মে) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খানের স্বাক্ষর করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বনানী এলাকায় ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও অভিযুক্ত নির্মাণ প্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেট চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে এবং ডিএনসিসিকে প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অনুসন্ধানে আরও উঠে আসে যে, ভবন নির্মাণের জন্য রাজউক এবং বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। এতে ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় বিমান ওড্ডয়ন ও অবতরণে ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে অভিযুক্তরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করে এবং তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বর্তমানে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ মামলাটির তদন্ত পরিচালনা করছে। বেদখলকৃত সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের পর লন্ডারকৃত অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদঘাটন ও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত