সাবেক
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
(আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের শারীরিক অবস্থা জানিয়েছেন তার আইনজীবী তরিকুল
ইসলাম।
আইনজীবীর
দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এক প্রিজন ভ্যান
দুর্ঘটনার ফলে পলকের ঘাড়ের
দুটি এবং কোমরের তিনটি
হাড় স্থানচ্যুত বা সরে গেছে।
মঙ্গলবার
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘প্রিজন
ভ্যান দুর্ঘটনার পর আমরা তার
এমআরআই করার আবেদন করি।
এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে
পিজি হাসপাতালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের এমআরআই করা হয়। মঙ্গলবার
আমরা এমআরআই প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি।’
এমআরআই
রিপোর্টের বিস্তারিত তুলে ধরে আইনজীবী
তরিকুল বলেন, ‘প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পলকের
কোমরের তিনটা হাড় যথাক্রমে এল-২, এল-৩
ও এল-৪ সরে
গেছে। এছাড়া ঘাড়ে দুটি হাড়ে
সমস্যা ধরা পড়েছে। এর
মধ্যে ঘাড়ের সি৫-সি৬ এর
ভেতর একটি ও সি৬-সি৭ এর ভেতর
ডিস্কে সমস্যা দেখা গেছে।’
তিনি
আরও জানান, গত শনিবার কারাগারে
পলকের সঙ্গে দেখা করার সময়
তিনি দেখেছেন যে সাবেক এই
প্রতিমন্ত্রী ঘাড় নাড়াতে পারছেন
না। ঘাড় ও কোমরের
হাড় সরে গেলেও এখন
পর্যন্ত কার্যকর কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা
নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ
করেন তিনি। এই বিষয়ে দ্রুত
চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আদালতে আবেদন
করা হবে বলেও জানান
তরিকুল ইসলাম।
উল্লেখ্য,
গত ১৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরা শেষে কারাগারে ফেরার
পথে প্রিজন ভ্যানের ভেতরেই দুর্ঘটনার শিকার হন পলক। তার
আরেক আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখীর ভাষ্যমতে, সেদিন প্রিজন ভ্যানে অন্য একটি গাড়ি
ধাক্কা দিলে পলক ভেতরে
পড়ে যান এবং গুরুতর
আঘাত পান। যদিও কারা
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বড়
কোনো দুর্ঘটনার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছিল।
এআইজি
(উন্নয়ন ও মিডিয়া) জান্নাত-উল ফরহাদ এক
বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘প্রকৃত বিষয় হলো ১৯
এপ্রিলে প্রিজন ভ্যান পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে নিচে নামার
সময় হার্ড ব্রেক করার কারণে ভেতরে
থাকা চারজন ডিভিশনবন্দির মধ্যে জুনাইদ আহমেদ পলক নিজেকে সামলাতে
না পেরে অপরবন্দি ফজলে
করিম চৌধুরীর সঙ্গে ধাক্কা খান। এতে তিনি
ঘাড়ে সামান্য ব্যথা পান।’
তবে
আইনজীবীদের পেশ করা সর্বশেষ
এমআরআই রিপোর্ট ও বক্তব্য কারা
কর্তৃপক্ষের সেই দাবিকে চ্যালেঞ্জের
মুখে ফেলেছে। গত ১৫ আগস্ট
গ্রেপ্তারের পর থেকেই বিভিন্ন
মামলায় রিমান্ডে থাকা পলককে সাম্প্রতিক
সময়ে আদালতে কোমরে বেল্ট পরা অবস্থায় দেখা
গেছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
সাবেক
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
(আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের শারীরিক অবস্থা জানিয়েছেন তার আইনজীবী তরিকুল
ইসলাম।
আইনজীবীর
দাবি অনুযায়ী, সাম্প্রতিক এক প্রিজন ভ্যান
দুর্ঘটনার ফলে পলকের ঘাড়ের
দুটি এবং কোমরের তিনটি
হাড় স্থানচ্যুত বা সরে গেছে।
মঙ্গলবার
সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, ‘প্রিজন
ভ্যান দুর্ঘটনার পর আমরা তার
এমআরআই করার আবেদন করি।
এরপর কারা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে
পিজি হাসপাতালে সাবেক প্রতিমন্ত্রী পলকের এমআরআই করা হয়। মঙ্গলবার
আমরা এমআরআই প্রতিবেদন হাতে পেয়েছি।’
এমআরআই
রিপোর্টের বিস্তারিত তুলে ধরে আইনজীবী
তরিকুল বলেন, ‘প্রতিবেদনে দেখা গেছে, পলকের
কোমরের তিনটা হাড় যথাক্রমে এল-২, এল-৩
ও এল-৪ সরে
গেছে। এছাড়া ঘাড়ে দুটি হাড়ে
সমস্যা ধরা পড়েছে। এর
মধ্যে ঘাড়ের সি৫-সি৬ এর
ভেতর একটি ও সি৬-সি৭ এর ভেতর
ডিস্কে সমস্যা দেখা গেছে।’
তিনি
আরও জানান, গত শনিবার কারাগারে
পলকের সঙ্গে দেখা করার সময়
তিনি দেখেছেন যে সাবেক এই
প্রতিমন্ত্রী ঘাড় নাড়াতে পারছেন
না। ঘাড় ও কোমরের
হাড় সরে গেলেও এখন
পর্যন্ত কার্যকর কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা
নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ
করেন তিনি। এই বিষয়ে দ্রুত
চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আদালতে আবেদন
করা হবে বলেও জানান
তরিকুল ইসলাম।
উল্লেখ্য,
গত ১৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক
অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরা শেষে কারাগারে ফেরার
পথে প্রিজন ভ্যানের ভেতরেই দুর্ঘটনার শিকার হন পলক। তার
আরেক আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখীর ভাষ্যমতে, সেদিন প্রিজন ভ্যানে অন্য একটি গাড়ি
ধাক্কা দিলে পলক ভেতরে
পড়ে যান এবং গুরুতর
আঘাত পান। যদিও কারা
অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বড়
কোনো দুর্ঘটনার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছিল।
এআইজি
(উন্নয়ন ও মিডিয়া) জান্নাত-উল ফরহাদ এক
বিবৃতিতে বলেছিলেন, ‘প্রকৃত বিষয় হলো ১৯
এপ্রিলে প্রিজন ভ্যান পোস্তগোলা ব্রিজ থেকে নিচে নামার
সময় হার্ড ব্রেক করার কারণে ভেতরে
থাকা চারজন ডিভিশনবন্দির মধ্যে জুনাইদ আহমেদ পলক নিজেকে সামলাতে
না পেরে অপরবন্দি ফজলে
করিম চৌধুরীর সঙ্গে ধাক্কা খান। এতে তিনি
ঘাড়ে সামান্য ব্যথা পান।’
তবে
আইনজীবীদের পেশ করা সর্বশেষ
এমআরআই রিপোর্ট ও বক্তব্য কারা
কর্তৃপক্ষের সেই দাবিকে চ্যালেঞ্জের
মুখে ফেলেছে। গত ১৫ আগস্ট
গ্রেপ্তারের পর থেকেই বিভিন্ন
মামলায় রিমান্ডে থাকা পলককে সাম্প্রতিক
সময়ে আদালতে কোমরে বেল্ট পরা অবস্থায় দেখা
গেছে।

আপনার মতামত লিখুন