ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার
(১২ মে) এক রিট
আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন
হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি
করেন। রিটকারীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের
আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস।
রিটকারী
আইনজীবী আসলাম মিঞা বলে, শাহবাগ
থানা এফআইর গ্রহণ করে নাই। আইনে
বলা আছে কগনিজেবল অফেন্স
(গুরুতর অপরাধ) আমলে নিয়ে এফআইর
করতে হবে। কগনিজেবল অফেন্স
এর ক্ষেত্রে এফআইর ম্যান্ডেটরি (বাধ্যতামূলক)।”
তিনি
বলেন, “হাইকোট কেনো এফআইআর নেওয়া
হবে না মর্মে রুল
দিয়েছে।” এ
সময় হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার
এজাহার প্রসঙ্গ তুলে হাইকোর্ট বলে,
‘একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি
আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।’
ভুক্তভোগী
রাহিদ খান পাভেল ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের
শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর
রহমান হলের আবাসিক ছাত্র।
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর
করা হয়। পরে তাকে
শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যায়
অভিযুক্তরা। রাহিদ অভিযোগ করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাকে মারধর করেছিলেন।
রাহিদ
সে সময় বলেন, ‘ওরা
আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট,
বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে।
শুরুতে এসএম হলের সামনে,
এরপর ভিসি চত্বরের সামনে
রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের
সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার
সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাই-ভাবে
মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা
আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে
সেভ করেছে।’
এর আগে গত
২৯ মার্চ পাভেলকে মারধরের ঘটনায় তার মায়ের দায়ের
করা শাহবাগ থানার এজাহারকে (এফআইআর) মামলা হিসেবে গ্রহণের জন্যে পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। লিগ্যাল নোটিশে আইজিপি, ডেপুটি কমিশনার (রমনা) ও শাহবাগ থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিবাদী করা
হয়েছে।
নোটিশ
পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
এফআইআর রেকর্ড করে তদন্ত শুরু
এবং আইন অনুযায়ী প্রতিবেদন
দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে। অন্যথায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা
হবে বলে নোটিশে বলা
হয়েছে।

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬
ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার
(১২ মে) এক রিট
আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ভীষ্ম দেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন
হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি
করেন। রিটকারীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের
আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস।
রিটকারী
আইনজীবী আসলাম মিঞা বলে, শাহবাগ
থানা এফআইর গ্রহণ করে নাই। আইনে
বলা আছে কগনিজেবল অফেন্স
(গুরুতর অপরাধ) আমলে নিয়ে এফআইর
করতে হবে। কগনিজেবল অফেন্স
এর ক্ষেত্রে এফআইর ম্যান্ডেটরি (বাধ্যতামূলক)।”
তিনি
বলেন, “হাইকোট কেনো এফআইআর নেওয়া
হবে না মর্মে রুল
দিয়েছে।” এ
সময় হাইকোর্ট নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের মামলার
এজাহার প্রসঙ্গ তুলে হাইকোর্ট বলে,
‘একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি
আর প্রত্যাহারের সুযোগ নেই।’
ভুক্তভোগী
রাহিদ খান পাভেল ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের
শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর
রহমান হলের আবাসিক ছাত্র।
নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ তুলে তাকে মারধর
করা হয়। পরে তাকে
শাহবাগ থানার সামনে ফেলে রেখে যায়
অভিযুক্তরা। রাহিদ অভিযোগ করেছেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা তাকে মারধর করেছিলেন।
রাহিদ
সে সময় বলেন, ‘ওরা
আমার মাথায়, হাতে, পুরো শরীরে ইট,
বেল্ট, মোটরসাইকেলের লক দিয়ে মেরেছে।
শুরুতে এসএম হলের সামনে,
এরপর ভিসি চত্বরের সামনে
রিকশা থেকে নামিয়ে মেরেছে।
কবি কাজী নজরুল ইসলামের
সমাধির সামনে এবং শাহবাগ থানার
সামনে আমাকে ফেলে যাচ্ছেতাই-ভাবে
মেরেছে। থানার ভেতর যখন ওরা
আমাকে মেরেছে, তখন পুলিশ আমাকে
সেভ করেছে।’
এর আগে গত
২৯ মার্চ পাভেলকে মারধরের ঘটনায় তার মায়ের দায়ের
করা শাহবাগ থানার এজাহারকে (এফআইআর) মামলা হিসেবে গ্রহণের জন্যে পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) সংশ্লিষ্টদের প্রতি লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। লিগ্যাল নোটিশে আইজিপি, ডেপুটি কমিশনার (রমনা) ও শাহবাগ থানার
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিবাদী করা
হয়েছে।
নোটিশ
পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে
এফআইআর রেকর্ড করে তদন্ত শুরু
এবং আইন অনুযায়ী প্রতিবেদন
দাখিলের জন্য নির্দেশনা দেওয়া
হয়েছে। অন্যথায় সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট দায়ের করা
হবে বলে নোটিশে বলা
হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন