সংবাদ

শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতার মৃত্যুদণ্ড


জেলা বার্তা পরিবেশক, ময়মনসিংহ
জেলা বার্তা পরিবেশক, ময়মনসিংহ
প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম

শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতার মৃত্যুদণ্ড
রায় ঘোষণার পর আসামিকে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়া হচ্ছে। ছবি : সংবাদ

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীকে (৬৫) হত্যার দায়ে জামাতা সুজিত শীলকে (৪২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, হালুয়াঘাট উপজেলার কৈচাপুর বোর্ড বাজার এলাকার বাসিন্দা সুজিত শীলের সঙ্গে তার স্ত্রী ইতি রানী শীল ও শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীর পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জেরে ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর গভীর রাতে সুজিত তার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। স্ত্রীকে বাঁচাতে শাশুড়ি এগিয়ে এলে পাশের কক্ষে তাকেও দা ও ছুরি দিয়ে কোপান সুজিত।

তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে জ্যোৎস্না রানী মারা যান।

এ ঘটনায় ইতির বড় বোন সন্ধ্যা রানী শীল বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১৩ মে ২০২৬


শাশুড়িকে হত্যার দায়ে জামাতার মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬

featured Image

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীকে (৬৫) হত্যার দায়ে জামাতা সুজিত শীলকে (৪২) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৩ মে) দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন। রায়ে আসামিকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, হালুয়াঘাট উপজেলার কৈচাপুর বোর্ড বাজার এলাকার বাসিন্দা সুজিত শীলের সঙ্গে তার স্ত্রী ইতি রানী শীল ও শাশুড়ি জ্যোৎস্না রানীর পারিবারিক কলহ চলছিল। এর জেরে ২০২১ সালের ৬ অক্টোবর গভীর রাতে সুজিত তার স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করেন। স্ত্রীকে বাঁচাতে শাশুড়ি এগিয়ে এলে পাশের কক্ষে তাকেও দা ও ছুরি দিয়ে কোপান সুজিত।

তাদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে দুজনকে উদ্ধার করে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন সকালে জ্যোৎস্না রানী মারা যান।

এ ঘটনায় ইতির বড় বোন সন্ধ্যা রানী শীল বাদী হয়ে হালুয়াঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ আদালত এ রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত