বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো চীনের সহায়তায় আবারও সচল করতে চায় সরকার। একই সঙ্গে দেশের পাট শিল্পের আধুনিকায়নে চীনের উন্নত প্রযুক্তিগত সহায়তাও কামনা করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার
(১৪ মে) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চায়না
গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
শিল্পমন্ত্রী
বলেন, "আমাদের শিল্প খাতের বিকাশে চীন সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বর্তমানে
দেশের যে কারখানাগুলো বন্ধ অবস্থায় আছে, সেগুলো পুনরায় চালু করতে আমরা চীনের বিনিয়োগ
ও কারিগরি সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, "চীন বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক
বাণিজ্য সম্প্রসারণে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রিন টেক্সটাইল খাতে প্রযুক্তিগত
সব ধরনের সহযোগিতা দিতে আমরা প্রস্তুত।"
গ্রিন টেক্সটাইল
শিল্পের এই বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল
ও গার্মেন্টস কোম্পানি, বিনিয়োগকারী এবং প্রযুক্তিবিদরা অংশ নিচ্ছেন। প্রদর্শনীতে মূলত
পরিবেশবান্ধব ও রিসাইকেলযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এছাড়া টেক্সটাইল
খাতের টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সেমিনার ও প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।
তিন দিনব্যাপী
এই প্রদর্শনী আগামী ১৬ মে পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো চীনের সহায়তায় আবারও সচল করতে চায় সরকার। একই সঙ্গে দেশের পাট শিল্পের আধুনিকায়নে চীনের উন্নত প্রযুক্তিগত সহায়তাও কামনা করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার
(১৪ মে) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-চায়না
গ্রিন টেক্সটাইল এক্সপো’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা
বলেন।
শিল্পমন্ত্রী
বলেন, "আমাদের শিল্প খাতের বিকাশে চীন সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। বর্তমানে
দেশের যে কারখানাগুলো বন্ধ অবস্থায় আছে, সেগুলো পুনরায় চালু করতে আমরা চীনের বিনিয়োগ
ও কারিগরি সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত
চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, "চীন বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক
বাণিজ্য সম্প্রসারণে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। বিশেষ করে গ্রিন টেক্সটাইল খাতে প্রযুক্তিগত
সব ধরনের সহযোগিতা দিতে আমরা প্রস্তুত।"
গ্রিন টেক্সটাইল
শিল্পের এই বিশেষায়িত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে বাংলাদেশ ও চীনের খ্যাতনামা টেক্সটাইল
ও গার্মেন্টস কোম্পানি, বিনিয়োগকারী এবং প্রযুক্তিবিদরা অংশ নিচ্ছেন। প্রদর্শনীতে মূলত
পরিবেশবান্ধব ও রিসাইকেলযোগ্য টেক্সটাইল প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হচ্ছে। এছাড়া টেক্সটাইল
খাতের টেকসই উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন সেমিনার ও প্যানেল আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে।
তিন দিনব্যাপী
এই প্রদর্শনী আগামী ১৬ মে পর্যন্ত চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত
প্রদর্শনীটি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন