পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অগ্রিম টিকিট বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আজ শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া হচ্ছে ঈদযাত্রার তৃতীয় দিন অর্থাৎ আগামী ২৫ মে’র টিকিট। বরাবরের মতোই শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে।
যাত্রীদের ভিড়
সামলাতে রেলওয়ে টিকিট বিক্রির সময়কে দুই ভাগে ভাগ করেছে:
পশ্চিমাঞ্চল: সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী
আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
পূর্বাঞ্চল: দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের
ট্রেনের টিকিট বিক্রি।
আগামী ২৮ মে
ঈদুল আজহা ধরে এই অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। রেলওয়ে জানিয়েছে,
আগামীকাল ১৬ মে পাওয়া যাবে ২৬ মে’র টিকিট এবং ১৭ মে বিক্রি হবে ২৭ মে’র টিকিট।
ঈদ শেষে যারা
কর্মস্থলে ফিরবেন, তাদের জন্য ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ২১ মে থেকে।
২১ মে: পাওয়া যাবে ৩১ মে’র টিকিট। ২২ মে: ১ জুনের টিকিট। ২৩ মে:
২ জুনের টিকিট। ২৪ মে: ৩ জুনের টিকিট। ২৫ মে: ৪ জুনের টিকিট।
টিকিট কেনার
নিয়ম ও বিশেষ নির্দেশনা
প্ল্যাটফর্ম: শুধুমাত্র বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল
ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ অ্যাপের মাধ্যমেই টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
টিকিটের
সীমাবদ্ধতা: একজন যাত্রী
যাওয়া এবং ফেরার জন্য সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ ৪টি
টিকিট কেনা যাবে, তবে সেক্ষেত্রে সহযাত্রীদের নাম উল্লেখ করতে হবে।
ফেরতযোগ্য
নয়: ঈদের অগ্রিম টিকিট
কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া বা টাকা রিফান্ড করা যাবে না।
স্ট্যান্ডিং
টিকিট: যাত্রার দিন
স্টেশনের কাউন্টার থেকে মোট আসনের ২৫ শতাংশ ‘স্ট্যান্ডিং’ বা আসনবিহীন টিকিট কেনা যাবে।
টিকিট কালোবাজারি
এবং প্রতারণা রোধে কড়া বার্তা দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ফেসবুক পেজ বা কোনো অননুমোদিত
ব্যক্তির কাছ থেকে টিকিট না কেনার আহ্বান জানানো হয়েছে। কেবলমাত্র সরকারি প্ল্যাটফর্ম
ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহ করার জন্য যাত্রীদের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
চাঁদ দেখার
ওপর ভিত্তি করে আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র টিকিট বিক্রির পরিকল্পনাও রেলওয়ের হাতে রয়েছে
বলে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে অগ্রিম টিকিট বিক্রি চালিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আজ শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া হচ্ছে ঈদযাত্রার তৃতীয় দিন অর্থাৎ আগামী ২৫ মে’র টিকিট। বরাবরের মতোই শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে।
যাত্রীদের ভিড়
সামলাতে রেলওয়ে টিকিট বিক্রির সময়কে দুই ভাগে ভাগ করেছে:
পশ্চিমাঞ্চল: সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী
আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
পূর্বাঞ্চল: দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের
ট্রেনের টিকিট বিক্রি।
আগামী ২৮ মে
ঈদুল আজহা ধরে এই অগ্রিম টিকিট বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। রেলওয়ে জানিয়েছে,
আগামীকাল ১৬ মে পাওয়া যাবে ২৬ মে’র টিকিট এবং ১৭ মে বিক্রি হবে ২৭ মে’র টিকিট।
ঈদ শেষে যারা
কর্মস্থলে ফিরবেন, তাদের জন্য ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ২১ মে থেকে।
২১ মে: পাওয়া যাবে ৩১ মে’র টিকিট। ২২ মে: ১ জুনের টিকিট। ২৩ মে:
২ জুনের টিকিট। ২৪ মে: ৩ জুনের টিকিট। ২৫ মে: ৪ জুনের টিকিট।
টিকিট কেনার
নিয়ম ও বিশেষ নির্দেশনা
প্ল্যাটফর্ম: শুধুমাত্র বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল
ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ অ্যাপের মাধ্যমেই টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।
টিকিটের
সীমাবদ্ধতা: একজন যাত্রী
যাওয়া এবং ফেরার জন্য সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন। প্রতিবার সর্বোচ্চ ৪টি
টিকিট কেনা যাবে, তবে সেক্ষেত্রে সহযাত্রীদের নাম উল্লেখ করতে হবে।
ফেরতযোগ্য
নয়: ঈদের অগ্রিম টিকিট
কোনোভাবেই ফেরত দেওয়া বা টাকা রিফান্ড করা যাবে না।
স্ট্যান্ডিং
টিকিট: যাত্রার দিন
স্টেশনের কাউন্টার থেকে মোট আসনের ২৫ শতাংশ ‘স্ট্যান্ডিং’ বা আসনবিহীন টিকিট কেনা যাবে।
টিকিট কালোবাজারি
এবং প্রতারণা রোধে কড়া বার্তা দিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ফেসবুক পেজ বা কোনো অননুমোদিত
ব্যক্তির কাছ থেকে টিকিট না কেনার আহ্বান জানানো হয়েছে। কেবলমাত্র সরকারি প্ল্যাটফর্ম
ব্যবহার করে টিকিট সংগ্রহ করার জন্য যাত্রীদের অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
চাঁদ দেখার
ওপর ভিত্তি করে আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ মে’র টিকিট বিক্রির পরিকল্পনাও রেলওয়ের হাতে রয়েছে
বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন