বাংলাদেশের চামড়া শিল্পকে একটি অন্যতম লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব টেকসই খাতে রূপ দিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ঈদুল আজহায় ‘জিরো ওয়েস্ট’ (শূন্য বর্জ্য) ধারণা নিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
আজ রোববার (১৭ মে) চামড়া শিল্প টাস্কফোর্সের এক গুরুত্বপূর্ণ
সভায় এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চামড়া শিল্পকে টেকসই রূপ দিতে সাভারের
চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপি (পরিবেশবান্ধব কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার) আধুনিকায়ন এবং
আন্তর্জাতিক মানের কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "পশু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া বাজারজাতকরণ
পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। আসন্ন
ঈদের পর থেকেই এই বিষয়ে অ্যাকশনভিত্তিক মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে।"
টাস্কফোর্সের সভায় ‘জিরো ওয়েস্ট’ বা বর্জ্যহীন ধারণার ওপর
বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়, পশুর বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া চর্বি বা ‘অ্যানিমেল ফ্যাট’ও
ফেলে দেওয়ার মতো বিষয় নয়। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি সাবান ও বিভিন্ন শিল্প কেমিক্যাল
তৈরির মূল্যবান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা
নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের চামড়া খাত থেকে যেমন রপ্তানি আয় বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব,
ঠিক তেমনি তৈরি হবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ।

রোববার, ১৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
বাংলাদেশের চামড়া শিল্পকে একটি অন্যতম লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব টেকসই খাতে রূপ দিতে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ঈদুল আজহায় ‘জিরো ওয়েস্ট’ (শূন্য বর্জ্য) ধারণা নিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।
আজ রোববার (১৭ মে) চামড়া শিল্প টাস্কফোর্সের এক গুরুত্বপূর্ণ
সভায় এসব তথ্য জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চামড়া শিল্পকে টেকসই রূপ দিতে সাভারের
চামড়া শিল্পনগরীর সিইটিপি (পরিবেশবান্ধব কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগার) আধুনিকায়ন এবং
আন্তর্জাতিক মানের কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করার ওপর সর্বোচ্চ জোর দেওয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, "পশু জবাই থেকে শুরু করে চামড়া বাজারজাতকরণ
পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়াকে একটি সমন্বিত ও সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। আসন্ন
ঈদের পর থেকেই এই বিষয়ে অ্যাকশনভিত্তিক মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম শুরু হবে।"
টাস্কফোর্সের সভায় ‘জিরো ওয়েস্ট’ বা বর্জ্যহীন ধারণার ওপর
বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলা হয়, পশুর বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া চর্বি বা ‘অ্যানিমেল ফ্যাট’ও
ফেলে দেওয়ার মতো বিষয় নয়। সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি সাবান ও বিভিন্ন শিল্প কেমিক্যাল
তৈরির মূল্যবান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, আধুনিক প্রযুক্তি এবং সঠিক ব্যবস্থাপনা
নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশের চামড়া খাত থেকে যেমন রপ্তানি আয় বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব,
ঠিক তেমনি তৈরি হবে বিপুল কর্মসংস্থানের সুযোগ।

আপনার মতামত লিখুন