বাগেরহাটের ফকিরহাটে দেশের একমাত্র পুরুষ শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ ও গ্রামীণ পুনর্বাসন কেন্দ্রটি ২০১২ সাল থেকে বন্ধ। ১৪ বছরে কেন্দ্রটি চালু করার কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রাষ্ট্রের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্র থেকে একসময় মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ, টেইলারিং ও হাঁস-মুরগি পালনে প্রশিক্ষণ নিয়ে ৩১৯ জন প্রতিবন্ধী যুবক স্বাবলম্বী হয়েছিলেন। হোস্টেল জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে প্রতি ব্যাচে ৩০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রটি পড়ে আছে।
সমস্যাটি জটিল নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন হোস্টেল নির্মাণ, যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও জনবল নিয়োগ করলে কেন্দ্র চালু করা সম্ভব। সমস্যা হচ্ছে, একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হলেও সাড়া মেলেনি।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বন্ধ থাকায় কোটি টাকার রাষ্রেরের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। লেদ মেশিন, গ্রাইন্ডিং মেশিনসহ একুশ ধরনের যন্ত্রপাতি অব্যবহারে নষ্ট হয়েছে। ট্রাকসহ যানবাহন অকেজো।
এই কেন্দ্র দেশের একমাত্র পুরুষ শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এর কার্যক্রম বন্ধ থাকা মানে একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে থাকা। সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিভিন্ন সময় গুরুত্বের কথা বলেছে। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ফকিরহাটের এই কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা জরুরি। যথাযথ পরিকল্পনা ও আন্তরিক উদ্যোগ থাকলে এটি আবারও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
বাগেরহাটের ফকিরহাটে দেশের একমাত্র পুরুষ শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ ও গ্রামীণ পুনর্বাসন কেন্দ্রটি ২০১২ সাল থেকে বন্ধ। ১৪ বছরে কেন্দ্রটি চালু করার কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। কেন্দ্রের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় রাষ্ট্রের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্র থেকে একসময় মেকানিক্যাল ওয়ার্কশপ, টেইলারিং ও হাঁস-মুরগি পালনে প্রশিক্ষণ নিয়ে ৩১৯ জন প্রতিবন্ধী যুবক স্বাবলম্বী হয়েছিলেন। হোস্টেল জরাজীর্ণ হয়ে পড়ায় কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে প্রতি ব্যাচে ৩০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রটি পড়ে আছে।
সমস্যাটি জটিল নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, নতুন হোস্টেল নির্মাণ, যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও জনবল নিয়োগ করলে কেন্দ্র চালু করা সম্ভব। সমস্যা হচ্ছে, একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হলেও সাড়া মেলেনি।
প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বন্ধ থাকায় কোটি টাকার রাষ্রেরের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে। লেদ মেশিন, গ্রাইন্ডিং মেশিনসহ একুশ ধরনের যন্ত্রপাতি অব্যবহারে নষ্ট হয়েছে। ট্রাকসহ যানবাহন অকেজো।
এই কেন্দ্র দেশের একমাত্র পুরুষ শারীরিক প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। এর কার্যক্রম বন্ধ থাকা মানে একটি বিশেষ জনগোষ্ঠীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে থাকা। সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বিভিন্ন সময় গুরুত্বের কথা বলেছে। সেই অঙ্গীকার বাস্তবায়নে ফকিরহাটের এই কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা জরুরি। যথাযথ পরিকল্পনা ও আন্তরিক উদ্যোগ থাকলে এটি আবারও কর্মমুখী প্রশিক্ষণের একটি কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন