সংবাদ

গলা কেটে হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ, স্বীকারোক্তি আসামির


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৭:০১ পিএম

গলা কেটে হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ, স্বীকারোক্তি আসামির
রামিসা আক্তার

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সোহেল রানা।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘সোহেল ওই শিশুকে টয়লেটে নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে বলে স্বীকার করেছে।’

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন।

শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যান, তখন সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে শিশুটির মাথা উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তাকে আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে স্বপ্না আক্তারকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শিশু রামিসার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে সিআইডিতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপরাধ।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


গলা কেটে হত্যার আগে রামিসাকে ধর্ষণ, স্বীকারোক্তি আসামির

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এ কথা স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সোহেল রানা।

বুধবার (২০ মে) বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক ওহিদুজ্জামান এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘সোহেল ওই শিশুকে টয়লেটে নিয়ে প্রথমে ধর্ষণ করে। পরে তাকে গলা কেটে হত্যা করে বলে স্বীকার করেছে।’

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন।

শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যান, তখন সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে শিশুটির মাথা উদ্ধার করা হয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে পল্লবী সেকশন-১১ এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্ট থেকে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আবদুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন। মামলায় সোহেল রানা, তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ও অজ্ঞাত আরও একজনকে আসামি করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর স্বপ্নাকে আটক করে পুলিশ। সোহেল আত্মগোপনে চলে গেলেও সন্ধ্যায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুই আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, সোহেল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হয়েছে। তাকে আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি রেকর্ডের জন্য পাঠানো হয়েছে।

অন্যদিকে স্বপ্না আক্তারকে আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শিশু রামিসার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে সিআইডিতে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এটি একটি পরিকল্পিত অপরাধ।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত