গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে এবং এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই সরকারের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে এ পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া সব আলোচনা, সুপারিশ ও ডকুমেন্ট ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হবে।
বুধবার (২০ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ও বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন যৌথভাবে ‘পিআইএমএইচআইই প্রজেক্ট: লার্নিং এন্ড শেয়ারিং ফ্রম পলিসি রিফরম টু নিউজরুম প্রাক্টিস’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে।
তথ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, গণমাধ্যম কমিশন গঠন শুধুমাত্র সরকারের একক কোনো বিষয় নয়, বরং এটি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যম রাষ্ট্রের অন্য স্তম্ভগুলোকে জনগণের কাছে জবাবদিহির মধ্যে রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার একদিকে যেমন এ প্রক্রিয়ায় সমান অংশীদার হিসেবে কাজ করবে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সমন্বয়কারী ও ব্যবস্থাপকের দায়িত্বও পালন করবে।
সম্প্রতি সরকার প্রধানের সঙ্গে গণমাধ্যম মালিক সমিতি ও সম্পাদকদের বৈঠকেও কমিশন গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে এর আগে যেমন আলোচনা হয়েছে, পরামর্শক কমিটি গঠনের পরও পুনরায় আলোচনা করা হবে। এই উদ্যোগে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, গণমাধ্যম সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন সরকারের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, গণমাধ্যম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) চেয়ারম্যান ও যমুনা টেলিভিশনের সিইও ফাহিম আহমেদ।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
গণমাধ্যম কমিশন গঠনের লক্ষ্যে একটি পরামর্শক কমিটি গঠন করা হবে এবং এই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতেই সরকারের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তাবনা তৈরি করা হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
তিনি বলেছেন, এ বিষয়ে এ পর্যন্ত সম্পন্ন হওয়া সব আলোচনা, সুপারিশ ও ডকুমেন্ট ভবিষ্যৎ কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচিত হবে।
বুধবার (২০ মে) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ইউকে ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ও বিবিসি মিডিয়া অ্যাকশন যৌথভাবে ‘পিআইএমএইচআইই প্রজেক্ট: লার্নিং এন্ড শেয়ারিং ফ্রম পলিসি রিফরম টু নিউজরুম প্রাক্টিস’ শীর্ষক এই সেমিনারের আয়োজন করে।
তথ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে বলেন, গণমাধ্যম কমিশন গঠন শুধুমাত্র সরকারের একক কোনো বিষয় নয়, বরং এটি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনের একটি সম্মিলিত উদ্যোগ। আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যম রাষ্ট্রের অন্য স্তম্ভগুলোকে জনগণের কাছে জবাবদিহির মধ্যে রাখতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সরকার একদিকে যেমন এ প্রক্রিয়ায় সমান অংশীদার হিসেবে কাজ করবে, অন্যদিকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সমন্বয়কারী ও ব্যবস্থাপকের দায়িত্বও পালন করবে।
সম্প্রতি সরকার প্রধানের সঙ্গে গণমাধ্যম মালিক সমিতি ও সম্পাদকদের বৈঠকেও কমিশন গঠনের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একটি গ্রহণযোগ্য ও কার্যকর কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সঙ্গে এর আগে যেমন আলোচনা হয়েছে, পরামর্শক কমিটি গঠনের পরও পুনরায় আলোচনা করা হবে। এই উদ্যোগে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী, গণমাধ্যম সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য অংশীজন সরকারের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সেমিনারে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক, গণমাধ্যম কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ এবং ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টারের (বিজেসি) চেয়ারম্যান ও যমুনা টেলিভিশনের সিইও ফাহিম আহমেদ।

আপনার মতামত লিখুন