দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ল্যাব-পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে রেকর্ডসংখ্যক ১ হাজার ৬৩১ জন রোগী হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড।
আজ বৃহস্পতিবার
(২১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এই ভয়াবহ চিত্র জানানো হয়।
এর আগে চলতি
বছরের ২৬ এপ্রিল একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৬৪ জন আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছিল। আজকের আক্রান্তের
সংখ্যা সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর চিত্র:
নতুন ভর্তি
রোগী: ১ হাজার ৬৩১ জন
(চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ)।
নিশ্চিত
হাম রোগী: গত ২৪ ঘণ্টায়
ল্যাব টেস্টে ২০৮ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত করা হয়েছে।
সন্দেহভাজন
হাম রোগী: নতুন করে
১ হাজার ৪২৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত হয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায়
মৃত্যু: গত ২৪ ঘণ্টায়
মোট ৭ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ৩ জন নিশ্চিত হামে এবং ৪ জন হামের উপসর্গ বা সন্দেহভাজন
হিসেবে মারা গেছেন।
গত ১৫ মার্চ
থেকে শুরু করে আজ ২১ মে পর্যন্ত দেশের হাম পরিস্থিতির একটি সামগ্রিক পরিসংখ্যান প্রকাশ
করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের
তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪৬ হাজার ৪০৭ জন রোগীর মধ্যে
ইতোমধ্যে ৪২ হাজার ৩৩৬ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, হঠাৎ করে একদিনে আক্রান্তের এই রেকর্ড বৃদ্ধি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিশুদের দ্রুত টিকাদান নিশ্চিত করা এবং যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা
না করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হামের প্রকোপ। গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ল্যাব-পরীক্ষায় নিশ্চিত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে রেকর্ডসংখ্যক ১ হাজার ৬৩১ জন রোগী হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, যা চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড।
আজ বৃহস্পতিবার
(২১ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে
এই ভয়াবহ চিত্র জানানো হয়।
এর আগে চলতি
বছরের ২৬ এপ্রিল একদিনে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৫৬৪ জন আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছিল। আজকের আক্রান্তের
সংখ্যা সেই রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেল।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের
তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর চিত্র:
নতুন ভর্তি
রোগী: ১ হাজার ৬৩১ জন
(চলতি বছরে একদিনে সর্বোচ্চ)।
নিশ্চিত
হাম রোগী: গত ২৪ ঘণ্টায়
ল্যাব টেস্টে ২০৮ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত করা হয়েছে।
সন্দেহভাজন
হাম রোগী: নতুন করে
১ হাজার ৪২৩ জন হামের উপসর্গ নিয়ে শনাক্ত হয়েছেন।
২৪ ঘণ্টায়
মৃত্যু: গত ২৪ ঘণ্টায়
মোট ৭ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ৩ জন নিশ্চিত হামে এবং ৪ জন হামের উপসর্গ বা সন্দেহভাজন
হিসেবে মারা গেছেন।
গত ১৫ মার্চ
থেকে শুরু করে আজ ২১ মে পর্যন্ত দেশের হাম পরিস্থিতির একটি সামগ্রিক পরিসংখ্যান প্রকাশ
করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
অধিদপ্তরের
তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৪৬ হাজার ৪০৭ জন রোগীর মধ্যে
ইতোমধ্যে ৪২ হাজার ৩৩৬ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা
বলছেন, হঠাৎ করে একদিনে আক্রান্তের এই রেকর্ড বৃদ্ধি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে রাখতে শিশুদের দ্রুত টিকাদান নিশ্চিত করা এবং যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা
না করে নিকটস্থ হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন