সংবাদ

ঘরে বিশাল অজগর, উৎসুক মানুষের ভিড়


প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার)
প্রকাশ: ২১ মে ২০২৬, ০৪:০১ পিএম

ঘরে বিশাল অজগর, উৎসুক মানুষের ভিড়
শ্রীমঙ্গলের ছাত্রাবট গ্রামে বসতঘর থেকে উদ্ধার করা বিশালাকার অজগরটি দেখছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ছবি : সংবাদ

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বসতঘরের সিলিং থেকে ১৪ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বিশালাকার অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে উপজেলার পাঁচাউন এলাকার ছাত্রাবট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিশাল এই সাপটি দেখতে ওই বাড়িতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের খলিল মিয়ার পরিবারের সদস্যরা বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঘরের সিলিংয়ের বাঁশের ওপর কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকা অবস্থায় সাপটি দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়। সাপটি দেখতে শত শত মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করেন। খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব জানান, উদ্ধার হওয়া অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪ ফুট এবং ওজন ২০ থেকে ২২ কেজির মতো। সাপটিকে পরে বন বিভাগের শ্রীমঙ্গল রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দ্রুতই এটি বনে অবমুক্ত করা হবে।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন জানায়, গত পাঁচ মাসে শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের এলাকা থেকে অজগরসহ অসংখ্য বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়েছে। পাহাড় ও বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়ায় এবং খাদ্যসংকটের কারণে বন্যপ্রাণীরা লোকালয়ে চলে আসছে।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, শ্রীমঙ্গলে বনভূমি দখল করে বাণিজ্যিক স্থাপনা ও রিসোর্ট নির্মাণের ফলে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ আবাসস্থল হারিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে প্রায়ই সাপসহ বিভিন্ন প্রাণী লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে, যা মানুষ ও বন্যপ্রাণী-উভয় পক্ষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। বন্যপ্রাণী রক্ষায় বনভূমি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


ঘরে বিশাল অজগর, উৎসুক মানুষের ভিড়

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বসতঘরের সিলিং থেকে ১৪ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি বিশালাকার অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকালে উপজেলার পাঁচাউন এলাকার ছাত্রাবট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিশাল এই সাপটি দেখতে ওই বাড়িতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের খলিল মিয়ার পরিবারের সদস্যরা বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে ঘরের সিলিংয়ের বাঁশের ওপর কুণ্ডলী পাকিয়ে থাকা অবস্থায় সাপটি দেখতে পান। মুহূর্তের মধ্যে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে গ্রামজুড়ে আতঙ্ক ও কৌতূহল সৃষ্টি হয়। সাপটি দেখতে শত শত মানুষ ওই বাড়িতে ভিড় করেন। খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে সাপটি উদ্ধার করেন।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব জানান, উদ্ধার হওয়া অজগরটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪ ফুট এবং ওজন ২০ থেকে ২২ কেজির মতো। সাপটিকে পরে বন বিভাগের শ্রীমঙ্গল রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দ্রুতই এটি বনে অবমুক্ত করা হবে।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন জানায়, গত পাঁচ মাসে শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের এলাকা থেকে অজগরসহ অসংখ্য বন্যপ্রাণী উদ্ধার করা হয়েছে। পাহাড় ও বনাঞ্চল সংকুচিত হওয়ায় এবং খাদ্যসংকটের কারণে বন্যপ্রাণীরা লোকালয়ে চলে আসছে।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, শ্রীমঙ্গলে বনভূমি দখল করে বাণিজ্যিক স্থাপনা ও রিসোর্ট নির্মাণের ফলে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ আবাসস্থল হারিয়ে যাচ্ছে। এ কারণে প্রায়ই সাপসহ বিভিন্ন প্রাণী লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে, যা মানুষ ও বন্যপ্রাণী-উভয় পক্ষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। বন্যপ্রাণী রক্ষায় বনভূমি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তারা।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত