রাজধানীর পল্লবীতে ২য় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে আনন্দ মোহন কলেজের মূল ফটকের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে যেভাবে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। দেশে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দীর্ঘসূত্রতায় আটকে থাকায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির কারণে একের পর এক নৃশংস ঘটনা ঘটছে।
শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত দুই দশকে দেশে ৩০ হাজারের বেশি ধর্ষণ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া সত্ত্বেও মামলাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে আসামিরা জামিন নিয়ে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা সমাজে আরও অপরাধপ্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, রামিসা হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্ষণ প্রতিরোধে দেশে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। অবিলম্বে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে ২য় শ্রেণির স্কুলছাত্রী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে ময়মনসিংহে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় বৃষ্টি উপেক্ষা করে আনন্দ মোহন কলেজের মূল ফটকের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই মানববন্ধন করেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসাকে যেভাবে পৈশাচিক কায়দায় হত্যা করা হয়েছে, তা মেনে নেওয়া যায় না। দেশে ধর্ষণ ও হত্যার বিচার দীর্ঘসূত্রতায় আটকে থাকায় অপরাধীরা পার পেয়ে যাচ্ছে। বিচারহীনতার এই সংস্কৃতির কারণে একের পর এক নৃশংস ঘটনা ঘটছে।
শিক্ষার্থীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত দুই দশকে দেশে ৩০ হাজারের বেশি ধর্ষণ মামলা বিচারাধীন রয়েছে। আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া সত্ত্বেও মামলাগুলোর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে না। অনেক ক্ষেত্রে আসামিরা জামিন নিয়ে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছে, যা সমাজে আরও অপরাধপ্রবণতা বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, রামিসা হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি ধর্ষণ প্রতিরোধে দেশে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। অবিলম্বে আসামিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা না হলে শিক্ষার্থীরা আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেবেন।

আপনার মতামত লিখুন