রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার দ্রুত বিচার সম্পন্ন হলে দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান।
শুক্রবার
বিএনপির নারী ও শিশু
অধিকার ফোরামের উদ্যোগে একটি প্রতিনিধিদল নিহত
শিশু রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তাদের
পল্লবীর বাসায় যায়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব
দেন ফোরামের আহ্বায়ক সেলিমা রহমান এবং সদস্যসচিব ও
সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী। এ
সময় তারা শোকার্ত পরিবারের
সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং ফোরামের
পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা
প্রদানের পাশাপাশি ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস
দেন।
পরিবারের
সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে সেলিমা রহমান বলেন, "বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। রাষ্ট্র যখন এই হত্যার
বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিয়েছে,
তখন জনগণ আশা করছে
খুব দ্রুতই অপরাধীদের বিচার হবে এবং এর
মাধ্যমে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হবে।"
একই
সাথে তিনি যোগ করেন,
এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
প্রয়োজন।
কুলাঙ্গারদের
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে নিপুন রায়
চৌধুরী বলেন, "দেশে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার
ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করছে। রামিসা
হয়তো আর ফিরে আসবে
না, কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের বিচার
হলে ভবিষ্যতে অনেক শিশুর জীবন
রক্ষা পাবে।"
উল্লেখ্য,
গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসার খাটের
নিচ থেকে আট বছর
বয়সী রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে
ওই বাসার বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন
মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এই
পৈশাচিক ঘটনার পর পল্লবী থানায়
হত্যা মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ
প্রথমে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে
মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকেও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ
জানিয়েছে, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ঘাতক সোহেল রানা
শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার
কথা স্বীকার করেছে। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের
পর থেকে পল্লবী এলাকাসহ
সারা দেশে তীব্র ক্ষোভ
ও খুনিদের ফাঁসির দাবি উঠেছে।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
রাজধানীর পল্লবীতে নৃশংসভাবে খুন হওয়া আট বছরের শিশু রামিসা আক্তার হত্যা মামলার দ্রুত বিচার সম্পন্ন হলে দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা আরও দৃঢ় হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য সেলিমা রহমান।
শুক্রবার
বিএনপির নারী ও শিশু
অধিকার ফোরামের উদ্যোগে একটি প্রতিনিধিদল নিহত
শিশু রামিসার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে তাদের
পল্লবীর বাসায় যায়। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব
দেন ফোরামের আহ্বায়ক সেলিমা রহমান এবং সদস্যসচিব ও
সংসদ সদস্য নিপুন রায় চৌধুরী। এ
সময় তারা শোকার্ত পরিবারের
সদস্যদের সান্ত্বনা দেন এবং ফোরামের
পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা
প্রদানের পাশাপাশি ভবিষ্যতেও পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস
দেন।
পরিবারের
সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে
আলাপকালে সেলিমা রহমান বলেন, "বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। রাষ্ট্র যখন এই হত্যার
বিচার নিশ্চিত করার দায়িত্ব নিয়েছে,
তখন জনগণ আশা করছে
খুব দ্রুতই অপরাধীদের বিচার হবে এবং এর
মাধ্যমে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হবে।"
একই
সাথে তিনি যোগ করেন,
এমন নৃশংস ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
প্রয়োজন।
কুলাঙ্গারদের
দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চেয়ে নিপুন রায়
চৌধুরী বলেন, "দেশে ন্যায়বিচার, মানবাধিকার
ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকার কাজ করছে। রামিসা
হয়তো আর ফিরে আসবে
না, কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের বিচার
হলে ভবিষ্যতে অনেক শিশুর জীবন
রক্ষা পাবে।"
উল্লেখ্য,
গত মঙ্গলবার রাজধানীর পল্লবীর একটি বাসার খাটের
নিচ থেকে আট বছর
বয়সী রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে
ওই বাসার বাথরুম থেকে তার বিচ্ছিন্ন
মাথাটি উদ্ধার করা হয়। এই
পৈশাচিক ঘটনার পর পল্লবী থানায়
হত্যা মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ
প্রথমে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আটক করে। পরবর্তীতে
মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকেও গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পুলিশ
জানিয়েছে, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে ঘাতক সোহেল রানা
শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার
কথা স্বীকার করেছে। এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের
পর থেকে পল্লবী এলাকাসহ
সারা দেশে তীব্র ক্ষোভ
ও খুনিদের ফাঁসির দাবি উঠেছে।

আপনার মতামত লিখুন