দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে সদ্য আত্মপ্রকাশ করা বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা এম আর ইসলাম স্বাধীন।
সোমবার
(১৮ মে) রাতে স্থানীয়
সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত
প্রজ্ঞাপন জারির পর মঙ্গলবার (১৯
মে) সকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই
পদে যোগদান করেন।
স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতিতে স্থানীয় সরকার বিভাগে তিনি যোগদান করেন।
এম আর ইসলাম স্বাধীন
ইতিপূর্বে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি
হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সোমবার
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১
শাখার উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম
স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয়
সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন)
অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ধারা
২৫(ক)-এর উপধারা
(১) ও (৩) অনুযায়ী
করপোরেশন গঠিত না হওয়া
পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ
না দেওয়া পর্যন্ত এম আর ইসলাম
স্বাধীনকে পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি মেয়রের ক্ষমতা
প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন
করবেন এবং বিধি অনুযায়ী
ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা
গ্রহণ করবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ
আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
গত ১৪ মে স্থানীয়
সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল
হাসান স্বাক্ষরিত এক সরকারি গেজেটের
মাধ্যমে ১৫০ বছরের প্রাচীন
বগুড়া পৌরসভাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশন ঘোষণা
করা হয়। বগুড়া পৌরসভা
এবং এর সঙ্গে সদর
ও শাজাহানপুর উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রসারিত এলাকা নিয়ে মোট ২১টি
ওয়ার্ডের সমন্বয়ে এই নতুন সিটি
করপোরেশন গঠিত হয়েছে।
উত্তরে
বগুড়া সদরের ৩ নম্বর নিশিন্দারা
ইউনিয়ন, ৫ নম্বর রাজাপুর
ইউনিয়নের অংশবিশেষ এবং ৬ নম্বর
শাখারিয়া ইউনিয়ন; দক্ষিণে শাজাহানপুরের ১ নম্বর আশেকপুর,
২ নম্বর মাদলা ও ৩ নম্বর
মাঝিড়া ইউনিয়ন; পূর্বে বগুড়া সদরের ২ নম্বর সাবগ্রাম,
৫ নম্বর রাজাপুর এবং শাজাহানপুরের ২
নম্বর মাদলা ইউনিয়ন; পশ্চিমে বগুড়া সদরের ১ নম্বর ফাঁপোড়
ও ৪ নম্বর এরুলিয়া
ইউনিয়ন।
এর আগে গত ২০
এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক
উদ্বোধন করেন। এরপর ৭ মে
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২০তম বৈঠকে এটি গঠনের প্রস্তাব
চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬
দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে সদ্য আত্মপ্রকাশ করা বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রথম প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বগুড়া জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা এম আর ইসলাম স্বাধীন।
সোমবার
(১৮ মে) রাতে স্থানীয়
সরকার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত
প্রজ্ঞাপন জারির পর মঙ্গলবার (১৯
মে) সকালে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এই
পদে যোগদান করেন।
স্থানীয়
সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের উপস্থিতিতে স্থানীয় সরকার বিভাগে তিনি যোগদান করেন।
এম আর ইসলাম স্বাধীন
ইতিপূর্বে বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি
হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
সোমবার
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১
শাখার উপসচিব মো. রবিউল ইসলাম
স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয়
সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন)
অধ্যাদেশ, ২০২৪-এর ধারা
২৫(ক)-এর উপধারা
(১) ও (৩) অনুযায়ী
করপোরেশন গঠিত না হওয়া
পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ
না দেওয়া পর্যন্ত এম আর ইসলাম
স্বাধীনকে পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।
দায়িত্ব পালনকালে তিনি মেয়রের ক্ষমতা
প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন
করবেন এবং বিধি অনুযায়ী
ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা
গ্রহণ করবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ
আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
গত ১৪ মে স্থানীয়
সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল
হাসান স্বাক্ষরিত এক সরকারি গেজেটের
মাধ্যমে ১৫০ বছরের প্রাচীন
বগুড়া পৌরসভাকে আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করপোরেশন ঘোষণা
করা হয়। বগুড়া পৌরসভা
এবং এর সঙ্গে সদর
ও শাজাহানপুর উপজেলার বিভিন্ন সম্প্রসারিত এলাকা নিয়ে মোট ২১টি
ওয়ার্ডের সমন্বয়ে এই নতুন সিটি
করপোরেশন গঠিত হয়েছে।
উত্তরে
বগুড়া সদরের ৩ নম্বর নিশিন্দারা
ইউনিয়ন, ৫ নম্বর রাজাপুর
ইউনিয়নের অংশবিশেষ এবং ৬ নম্বর
শাখারিয়া ইউনিয়ন; দক্ষিণে শাজাহানপুরের ১ নম্বর আশেকপুর,
২ নম্বর মাদলা ও ৩ নম্বর
মাঝিড়া ইউনিয়ন; পূর্বে বগুড়া সদরের ২ নম্বর সাবগ্রাম,
৫ নম্বর রাজাপুর এবং শাজাহানপুরের ২
নম্বর মাদলা ইউনিয়ন; পশ্চিমে বগুড়া সদরের ১ নম্বর ফাঁপোড়
ও ৪ নম্বর এরুলিয়া
ইউনিয়ন।
এর আগে গত ২০
এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বগুড়া সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক
উদ্বোধন করেন। এরপর ৭ মে
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসসংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) ১২০তম বৈঠকে এটি গঠনের প্রস্তাব
চূড়ান্ত অনুমোদন পায়।

আপনার মতামত লিখুন