কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে এবারও ধস নেমেছে। গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের চেয়ে এবার ২ টাকা বাড়িয়েছিল সরকার। তবে রাজধানীতে সেই দরে চামড়া বিক্রি হয়নি। উল্টো গত বছরের চেয়ে প্রতিটি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ মৌসুমী ব্যবসায়ীদের।
এদিকে, ছাগলের চামড়ার বাজার প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে একটি ছাগলের চামড়া। আবার কোথাও বিনামূল্যেও নিতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। এছাড়া অনেক ময়লার স্তুপে ছালগের চামড়া পরে থাকতে দেখা গেছে।
মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছেন, মূল সংকটের শুরু ট্যানারি পর্যায়ে। ট্যানারির মালিকেরা আগেভাগেই কম দাম নির্ধারণ করায়, আড়তদারাও কম দামে চামড়া কিনছেন।
মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বলছেন, একটি চামড়া ক্রয় করতে হচ্ছে পাঁচশ টাকায়। সেখানে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ছয়শ টাকায়। অথচ গাড়ি ভাড়াসহ সংরক্ষণের জন্য যে পরিমাণ খরচ হয়, তাতে লাভ তো নয়ই, বরং বাড়তে থাকে লোকসান খাতা।
কোরবানির পশুর চামড়া দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতের কাঁচামাল। মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংগুলোর জন্যও এটি বড় আয়ের উৎস। চামড়ার বাজার ঘিরে প্রতি বছরই তৈরি হয় বড় প্রত্যাশা। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এই খাতের অব্যবস্থাপনা, সিন্ডিকেট, সংরক্ষণ সংকট ও ট্যানারি শিল্পের দুর্বলতার কারণে মাঠপর্যায়ে দাম পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

শনিবার, ৩০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬
কোরবানির পশুর চামড়ার বাজারে এবারও ধস নেমেছে। গরুর লবণযুক্ত চামড়ার প্রতি বর্গফুটের দাম গত বছরের চেয়ে এবার ২ টাকা বাড়িয়েছিল সরকার। তবে রাজধানীতে সেই দরে চামড়া বিক্রি হয়নি। উল্টো গত বছরের চেয়ে প্রতিটি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কম দামে বিক্রি হচ্ছে। এমনটাই অভিযোগ মৌসুমী ব্যবসায়ীদের।
এদিকে, ছাগলের চামড়ার বাজার প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় মাত্র ৫ থেকে ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে একটি ছাগলের চামড়া। আবার কোথাও বিনামূল্যেও নিতে দেখা গেছে ব্যবসায়ীদের। এছাড়া অনেক ময়লার স্তুপে ছালগের চামড়া পরে থাকতে দেখা গেছে।
মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বলছেন, মূল সংকটের শুরু ট্যানারি পর্যায়ে। ট্যানারির মালিকেরা আগেভাগেই কম দাম নির্ধারণ করায়, আড়তদারাও কম দামে চামড়া কিনছেন।
মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বলছেন, একটি চামড়া ক্রয় করতে হচ্ছে পাঁচশ টাকায়। সেখানে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ছয়শ টাকায়। অথচ গাড়ি ভাড়াসহ সংরক্ষণের জন্য যে পরিমাণ খরচ হয়, তাতে লাভ তো নয়ই, বরং বাড়তে থাকে লোকসান খাতা।
কোরবানির পশুর চামড়া দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রপ্তানি খাতের কাঁচামাল। মাদ্রাসা, এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিংগুলোর জন্যও এটি বড় আয়ের উৎস। চামড়ার বাজার ঘিরে প্রতি বছরই তৈরি হয় বড় প্রত্যাশা। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এই খাতের অব্যবস্থাপনা, সিন্ডিকেট, সংরক্ষণ সংকট ও ট্যানারি শিল্পের দুর্বলতার কারণে মাঠপর্যায়ে দাম পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন