কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শহরের মূল বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০টি দোকানঘর পুড়ে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে লাগা এই আগুনে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ৬ টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় আগুন নেভাতে বিলম্ব হয়েছে। ততক্ষণে কাপড়, কসমেটিকস ও ফলসহ বিভিন্ন পণ্যের অন্তত ৫০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা শহরের মূল বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৫০টি দোকানঘর পুড়ে গেছে। শুক্রবার (৫ জুন) ভোরে লাগা এই আগুনে কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সোয়া ৬ টার দিকে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পার্শ্ববর্তী নাগেশ্বরী উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
ব্যবসায়ীদের দাবি, ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন না থাকায় আগুন নেভাতে বিলম্ব হয়েছে। ততক্ষণে কাপড়, কসমেটিকস ও ফলসহ বিভিন্ন পণ্যের অন্তত ৫০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেব নাথ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ধারণে কাজ চলছে।

আপনার মতামত লিখুন