বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৮০০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোর ৭ টার দিকে উপজেলার সীমান্ত পিলার ৪৬/৪-এর পোয়াবন নামক এলাকা থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করে ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিজিবির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, জারুলিয়াছড়ি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির একটি টহল দল বিশেষ অভিযানে নামে। টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা সীমান্ত পিলারের কাছ থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুটি ব্যাগ ফেলে গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরে ব্যাগ দুটি তল্লাশি করে ১ লাখ ৮০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা বড়ি জব্দ করা হয়।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদক পাচার রোধে বিজিবির এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো বর্তমানে বিজিবির হেফাজতে রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জুন ২০২৬
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার জারুলিয়াছড়ি সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৮০০ পিস ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার করা এসব মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩ কোটি ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোর ৭ টার দিকে উপজেলার সীমান্ত পিলার ৪৬/৪-এর পোয়াবন নামক এলাকা থেকে এই বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করে ১১ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিজিবির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজিবি জানায়, জারুলিয়াছড়ি সীমান্ত এলাকায় বিজিবির একটি টহল দল বিশেষ অভিযানে নামে। টহল দলের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা সীমান্ত পিলারের কাছ থেকে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুটি ব্যাগ ফেলে গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যায়। পরে ব্যাগ দুটি তল্লাশি করে ১ লাখ ৮০০ পিস বার্মিজ ইয়াবা বড়ি জব্দ করা হয়।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন ১১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মাদক পাচার রোধে বিজিবির এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে। মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে বিজিবি পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
উদ্ধারকৃত ইয়াবাগুলো বর্তমানে বিজিবির হেফাজতে রয়েছে এবং এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন