সংবাদ

ডায়াবেটিস হলে কি কলা খাওয়া যাবে? জেনে নিন সঠিক তথ্য


সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
সংবাদ ডিজিটাল রিপোর্ট
প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৬:৩৯ পিএম

ডায়াবেটিস হলে কি কলা খাওয়া যাবে? জেনে নিন সঠিক তথ্য

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য পরিমিত পরিমাণে কলা খাওয়া উপকারী হতে পারে। কলায় থাকা খাদ্যআঁশ (ফাইবার) এবং মাঝারি মাত্রার গ্লাইসেমিক সূচক রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া কলায় রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬ এবং বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান, যা শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কলা খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা

পাকা কলা:
মাঝারি আকারের একটি পাকা কলা সাধারণত নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে অতিরিক্ত পাকা বা খয়েরি রঙ ধারণ করা কলা এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ এসব কলায় শর্করা দ্রুত শোষিত হয় এবং গ্লাইসেমিক সূচক তুলনামূলক বেশি থাকে।

কাঁচা বা অর্ধপাকা কলা:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাঁচা বা অর্ধপাকা কলা অধিক উপকারী। এতে শর্করার পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ার ঝুঁকিও কম। খালি পেটে বড় আকারের কলা না খেয়ে দুধ, দই, বাদাম বা অন্যান্য প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের সঙ্গে খাওয়া ভালো। এতে শর্করা ধীরে ধীরে রক্তে মিশে এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

কলার প্রধান উপকারিতা

১. খাদ্যআঁশ (ফাইবার):
কলা হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

২. ভিটামিন বি-৬:
এটি স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩. পটাশিয়াম:
পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

বিশেষ পরামর্শ

পরিমিত পরিমাণে কলা খেলে অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রায় উল্লেখযোগ্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তবে ব্যক্তিভেদে শারীরিক অবস্থার পার্থক্য থাকতে পারে। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত কলা যুক্ত করার আগে চিকিসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

 

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বুধবার, ১০ জুন ২০২৬


ডায়াবেটিস হলে কি কলা খাওয়া যাবে? জেনে নিন সঠিক তথ্য

প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬

featured Image

ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য পরিমিত পরিমাণে কলা খাওয়া উপকারী হতে পারে। কলায় থাকা খাদ্যআঁশ (ফাইবার) এবং মাঝারি মাত্রার গ্লাইসেমিক সূচক রক্তে শর্করার পরিমাণ দ্রুত বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে। এছাড়া কলায় রয়েছে পটাশিয়াম, ভিটামিন বি-৬ এবং বিভিন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান, যা শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কলা খাওয়ার সঠিক নিয়ম ও সতর্কতা

পাকা কলা:
মাঝারি আকারের একটি পাকা কলা সাধারণত নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে অতিরিক্ত পাকা বা খয়েরি রঙ ধারণ করা কলা এড়িয়ে চলা ভালো, কারণ এসব কলায় শর্করা দ্রুত শোষিত হয় এবং গ্লাইসেমিক সূচক তুলনামূলক বেশি থাকে।

কাঁচা বা অর্ধপাকা কলা:
ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য কাঁচা বা অর্ধপাকা কলা অধিক উপকারী। এতে শর্করার পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ার ঝুঁকিও কম। খালি পেটে বড় আকারের কলা না খেয়ে দুধ, দই, বাদাম বা অন্যান্য প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বিযুক্ত খাবারের সঙ্গে খাওয়া ভালো। এতে শর্করা ধীরে ধীরে রক্তে মিশে এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

কলার প্রধান উপকারিতা

১. খাদ্যআঁশ (ফাইবার):
কলা হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে, ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

২. ভিটামিন বি-৬:
এটি স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখতে এবং মানসিক চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

৩. পটাশিয়াম:
পটাশিয়াম হৃদযন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রাখতে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।

বিশেষ পরামর্শ

পরিমিত পরিমাণে কলা খেলে অধিকাংশ ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রায় উল্লেখযোগ্য কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ে না। তবে ব্যক্তিভেদে শারীরিক অবস্থার পার্থক্য থাকতে পারে। তাই খাদ্যতালিকায় নিয়মিত কলা যুক্ত করার আগে চিকিসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

 


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত