টেলিযোগাযোগ ও আর্থিক সেবা খাতের দীর্ঘ ২৬ বছরের বর্ণিল ক্যারিয়ার, সততা আর মেধার যুগলবন্দিতে আরও একটি কাঙ্ক্ষিত শিখর স্পর্শ করলেন জাকিয়া সুলতানা। বৈশ্বিক পেমেন্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ড বাংলাদেশে নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি।
তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হওয়া এই নিয়োগের মাধ্যমে তিনি বিদায়ী কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর মাস্টারকার্ডে দায়িত্ব পালন শেষে চলতি বছরের শেষ দিকে অবসরে যাচ্ছেন কামাল, যিনি গত এক দশকে দেশের ডিজিটাল পেমেন্টস খাতের ভিত্তি শক্তিশালী করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। এবার সেই অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পড়ল জাকিয়ার কাঁধে।
জাকিয়া সুলতানা কেবল একজন করপোরেট ব্যক্তিত্ব নন, বরং দেশের কর্মজীবী নারীদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা। ২০১৫ সাল থেকে মাস্টারকার্ডে নিষ্ঠার সাথে কাজ করছেন তিনি। সর্বশেষ ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর নেতৃত্বেই দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ব্যবসা সম্প্রসারণের একাধিক বড় উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় জাকিয়া সুলতানা বলেন, "দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের এ সময়ে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।" গ্রাহক, অংশীদার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবনী পেমেন্ট সমাধান সম্প্রসারণে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
টেলিযোগাযোগের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন, এয়ারটেল ও বাংলালিংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসির মতো সংস্থায় সাফল্যের সাথে কাজ করা জাকিয়ার এই অর্জনে উচ্ছ্বসিত মাস্টারকার্ড পরিবারও। মাস্টারকার্ডের সাউথ এশিয়া ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট গৌতম আগারওয়াল বলেন, "বাংলাদেশের দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর এবং উদ্ভাবনী পেমেন্ট সমাধানের চাহিদা দেশটিকে মাস্টারকার্ডের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত করেছে। জাকিয়া সুলতানার বাজার-জ্ঞান ও অংশীদারভিত্তিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে।"
এখন থেকে জাকিয়া সুলতানা দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি দেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার সান্দুন হাপুগোদাকে রিপোর্ট করবেন। নতুন পথচলায় তিনি দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারের প্রসার, গ্রাহক ও অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবেন। জাকিয়ার এই নতুন যাত্রা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জুন ২০২৬
টেলিযোগাযোগ ও আর্থিক সেবা খাতের দীর্ঘ ২৬ বছরের বর্ণিল ক্যারিয়ার, সততা আর মেধার যুগলবন্দিতে আরও একটি কাঙ্ক্ষিত শিখর স্পর্শ করলেন জাকিয়া সুলতানা। বৈশ্বিক পেমেন্ট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মাস্টারকার্ড বাংলাদেশে নতুন কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন তিনি।
তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হওয়া এই নিয়োগের মাধ্যমে তিনি বিদায়ী কান্ট্রি ম্যানেজার সৈয়দ মোহাম্মদ কামালের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন। দীর্ঘ ১৩ বছর মাস্টারকার্ডে দায়িত্ব পালন শেষে চলতি বছরের শেষ দিকে অবসরে যাচ্ছেন কামাল, যিনি গত এক দশকে দেশের ডিজিটাল পেমেন্টস খাতের ভিত্তি শক্তিশালী করতে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। এবার সেই অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পড়ল জাকিয়ার কাঁধে।
জাকিয়া সুলতানা কেবল একজন করপোরেট ব্যক্তিত্ব নন, বরং দেশের কর্মজীবী নারীদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা। ২০১৫ সাল থেকে মাস্টারকার্ডে নিষ্ঠার সাথে কাজ করছেন তিনি। সর্বশেষ ডিরেক্টর হিসেবে তাঁর নেতৃত্বেই দেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ব্যবসা সম্প্রসারণের একাধিক বড় উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ার পর এক আবেগঘন প্রতিক্রিয়ায় জাকিয়া সুলতানা বলেন, "দেশের ডিজিটাল রূপান্তরের এ সময়ে নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে তিনি সম্মানিত বোধ করছেন।" গ্রাহক, অংশীদার ও নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ে একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উদ্ভাবনী পেমেন্ট সমাধান সম্প্রসারণে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।
টেলিযোগাযোগের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন, এয়ারটেল ও বাংলালিংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠান এইচএসবিসির মতো সংস্থায় সাফল্যের সাথে কাজ করা জাকিয়ার এই অর্জনে উচ্ছ্বসিত মাস্টারকার্ড পরিবারও। মাস্টারকার্ডের সাউথ এশিয়া ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট গৌতম আগারওয়াল বলেন, "বাংলাদেশের দ্রুত ডিজিটাল রূপান্তর এবং উদ্ভাবনী পেমেন্ট সমাধানের চাহিদা দেশটিকে মাস্টারকার্ডের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজারে পরিণত করেছে। জাকিয়া সুলতানার বাজার-জ্ঞান ও অংশীদারভিত্তিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে।"
এখন থেকে জাকিয়া সুলতানা দক্ষিণ এশিয়ার পাঁচটি দেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত গ্রুপ কান্ট্রি ম্যানেজার সান্দুন হাপুগোদাকে রিপোর্ট করবেন। নতুন পথচলায় তিনি দেশে ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবহারের প্রসার, গ্রাহক ও অংশীদারদের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেবেন। জাকিয়ার এই নতুন যাত্রা দেশের ডিজিটাল অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করবে, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

আপনার মতামত লিখুন